ঢাকা ০১:০৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

বিদেশে বসে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণে হাসিনার ঘনিষ্ঠজনেরা: অভিযোগ

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা ও বড় অবকাঠামো প্রকল্পসহ প্রভাবশালী ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কেও পরিবর্তন আসার প্রত্যাশা থাকলেও, সরকার পরিবর্তনের পরও অতীতে প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত কিছু ব্যবসায়ী গোষ্ঠী ও ঠিকাদারি নেটওয়ার্ক এখনো সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, দরদাতা এবং সংশ্লিষ্ট খাতের একাধিক ব্যক্তির দাবি, প্রকাশ্যে না থাকলেও দেশের বাইরে অবস্থান করে কিছু ব্যক্তি তাদের ঘনিষ্ঠ প্রতিনিধি বা অংশীদারদের মাধ্যমে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাদের অধিকাংশ ব্যবসা-বাণিজ্য এখনো চালু আছে, কেবল পরিচালনাকারী পরিবর্তিত হয়েছে।

অভিযোগে আরো উঠে আসে, আওয়ামী ঘনিষ্ঠদের পরিচালনাধীন রাজধানী ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামের প্রধান প্রধান ব্যবসায়িক খাত যেমন—শিপিং, কনস্ট্রাকশন, খাদ্য আমদানি, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, জ্বালানি খাত বর্তমানে বিএনপি নেতারা পরিচালনা করছেন। ব্যাংক খাতের একাধিক সূত্রমতে, হুন্ডি ও অফশোর চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ পাচার চলছে, যার বড় অংশ যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের ব্যাংকিং রুটে। আর অবৈধ চ্যানেলে পাঠানো এসব অর্থ যাচ্ছে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে।

অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০০৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্য দলটির সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে জড়িতরাই করেছিলেন। ওই সময় প্রায় ৭০ শতাংশ মেগা প্রকল্প আওয়ামী ঘরানার ব্যবসায়ীরা পেয়েছিলেন। সরকারি টেন্ডার, প্রকিউরমেন্ট, বড় প্রকল্পের বরাদ্দ এবং আমদানি লাইসেন্স প্রক্রিয়ায় তাদের দলীয় প্রভাব ছিল সুস্পষ্ট। অভিযোগ আছে, আওয়ামী লীগ নেতাদের এসব প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা রক্ষা ও বিনা বিনিয়োগে ব্যবসা করার সুযোগ নিয়ে বর্তমান ক্ষমতাসীনরা সেসব ব্যবসা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তার লভ্যাংশের নির্দিষ্ট অংশ ওইসব পলাতক ব্যবসায়ীর হাতে তুলে দিচ্ছেন।

অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান সরকারের সময়ে তারা এখনো প্রকাশ্যে না এসে বিদেশে বসে আবার অন্য কারো সহায়তায় টেন্ডারবাজি করে বাগিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। এক সময় তারা আগের দাপটে একক আধিপত্য নিয়ে প্রশাসনিক কাজ হাতিয়ে নিতেন। এখনো তারা একটি নিজস্ব বলয় তৈরি করেছেন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, অ্যালায়েন্স পাওয়ার নামের প্রোপ্রাইটরশিপ প্রতিষ্ঠানের ফাউন্ডার গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানীর এসএম আল ইমরান হোসেন। তিনি একাধারে ফ্যাসিবাদী আওয়া…

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শিশুমৃত্যুর হার কমে ৩৩ এ, তবে ৩৮ শতাংশ শিশুর রক্তে মিলল বিষাক্ত সিসা: বিবিএস

বিদেশে বসে টেন্ডার নিয়ন্ত্রণে হাসিনার ঘনিষ্ঠজনেরা: অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর সরকারি ক্রয়ব্যবস্থা ও বড় অবকাঠামো প্রকল্পসহ প্রভাবশালী ব্যবসায়িক নেটওয়ার্কেও পরিবর্তন আসার প্রত্যাশা থাকলেও, সরকার পরিবর্তনের পরও অতীতে প্রভাবশালী হিসেবে পরিচিত কিছু ব্যবসায়ী গোষ্ঠী ও ঠিকাদারি নেটওয়ার্ক এখনো সক্রিয় রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরকারি বিভিন্ন সংস্থা, দরদাতা এবং সংশ্লিষ্ট খাতের একাধিক ব্যক্তির দাবি, প্রকাশ্যে না থাকলেও দেশের বাইরে অবস্থান করে কিছু ব্যক্তি তাদের ঘনিষ্ঠ প্রতিনিধি বা অংশীদারদের মাধ্যমে ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। তাদের অধিকাংশ ব্যবসা-বাণিজ্য এখনো চালু আছে, কেবল পরিচালনাকারী পরিবর্তিত হয়েছে।

অভিযোগে আরো উঠে আসে, আওয়ামী ঘনিষ্ঠদের পরিচালনাধীন রাজধানী ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামের প্রধান প্রধান ব্যবসায়িক খাত যেমন—শিপিং, কনস্ট্রাকশন, খাদ্য আমদানি, অবকাঠামো, বিদ্যুৎ, জ্বালানি খাত বর্তমানে বিএনপি নেতারা পরিচালনা করছেন। ব্যাংক খাতের একাধিক সূত্রমতে, হুন্ডি ও অফশোর চ্যানেলের মাধ্যমে অর্থ পাচার চলছে, যার বড় অংশ যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্য, মালয়েশিয়া ও সিঙ্গাপুরের ব্যাংকিং রুটে। আর অবৈধ চ্যানেলে পাঠানো এসব অর্থ যাচ্ছে পলাতক আওয়ামী লীগ নেতাদের কাছে।

অর্থনীতি বিশ্লেষকরা বলছেন, ২০০৯ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যবসা-বাণিজ্য দলটির সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে জড়িতরাই করেছিলেন। ওই সময় প্রায় ৭০ শতাংশ মেগা প্রকল্প আওয়ামী ঘরানার ব্যবসায়ীরা পেয়েছিলেন। সরকারি টেন্ডার, প্রকিউরমেন্ট, বড় প্রকল্পের বরাদ্দ এবং আমদানি লাইসেন্স প্রক্রিয়ায় তাদের দলীয় প্রভাব ছিল সুস্পষ্ট। অভিযোগ আছে, আওয়ামী লীগ নেতাদের এসব প্রতিষ্ঠিত ব্যবসা রক্ষা ও বিনা বিনিয়োগে ব্যবসা করার সুযোগ নিয়ে বর্তমান ক্ষমতাসীনরা সেসব ব্যবসা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে তার লভ্যাংশের নির্দিষ্ট অংশ ওইসব পলাতক ব্যবসায়ীর হাতে তুলে দিচ্ছেন।

অভিযোগ উঠেছে, বর্তমান সরকারের সময়ে তারা এখনো প্রকাশ্যে না এসে বিদেশে বসে আবার অন্য কারো সহায়তায় টেন্ডারবাজি করে বাগিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। এক সময় তারা আগের দাপটে একক আধিপত্য নিয়ে প্রশাসনিক কাজ হাতিয়ে নিতেন। এখনো তারা একটি নিজস্ব বলয় তৈরি করেছেন। অনুসন্ধানে দেখা যায়, অ্যালায়েন্স পাওয়ার নামের প্রোপ্রাইটরশিপ প্রতিষ্ঠানের ফাউন্ডার গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানীর এসএম আল ইমরান হোসেন। তিনি একাধারে ফ্যাসিবাদী আওয়া…