ঢাকা ১০:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

শাপলা চত্বর গণহত্যা: শেখ হাসিনাসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৫১:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬
  • ৫ বার পড়া হয়েছে

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সোমবার ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ প্রদান করেন। মামলার মোট আসামির সংখ্যা ৪১ জন।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি শুনানিতে জানান, তৎকালীন সরকার পরিকল্পিতভাবে নিরস্ত্র নেতাকর্মীদের ওপর এই অভিযান চালিয়েছিল। মামলায় দুটি প্রধান অভিযোগ আনা হয়েছে—প্রথমটি ৫ মে শাপলা চত্বরে ৩২ জনকে হত্যার ঘটনা এবং দ্বিতীয়টি ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ২০ জনকে হত্যার নারকীয় যজ্ঞ।

চিফ প্রসিকিউটর আরও উল্লেখ করেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন যেকোনো মূল্যে রাতের মধ্যেই শাপলা চত্বর থেকে আন্দোলনকারীদের হঠিয়ে দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি যৌথভাবে ‘অপারেশন সিকিউরড শাপলা’, ‘অপারেশন ফ্ল্যাশ আউট’ এবং ‘অপারেশন ক্যাপচার শাপলা’ নামে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের এই নামকরণগুলোই প্রমাণ করে যে এটি কোনো সাধারণ অভিযান ছিল না, বরং একটি পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ ছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাজধানীর মানিকদিতে মধ্যরাতে নাম না জানা দুর্বৃত্তের তাণ্ডব: গুলিবিদ্ধ কলেজছাত্র

শাপলা চত্বর গণহত্যা: শেখ হাসিনাসহ ৩১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি

আপডেট সময় : ০৮:৫১:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬

২০১৩ সালের ৫ মে রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৩১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। সোমবার ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই আদেশ প্রদান করেন। মামলার মোট আসামির সংখ্যা ৪১ জন।

আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি শুনানিতে জানান, তৎকালীন সরকার পরিকল্পিতভাবে নিরস্ত্র নেতাকর্মীদের ওপর এই অভিযান চালিয়েছিল। মামলায় দুটি প্রধান অভিযোগ আনা হয়েছে—প্রথমটি ৫ মে শাপলা চত্বরে ৩২ জনকে হত্যার ঘটনা এবং দ্বিতীয়টি ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আরও ২০ জনকে হত্যার নারকীয় যজ্ঞ।

চিফ প্রসিকিউটর আরও উল্লেখ করেন, তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবনে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে উপস্থিত মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতাদের নির্দেশ দিয়েছিলেন যেন যেকোনো মূল্যে রাতের মধ্যেই শাপলা চত্বর থেকে আন্দোলনকারীদের হঠিয়ে দেওয়া হয়। সেই নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ, র‍্যাব ও বিজিবি যৌথভাবে ‘অপারেশন সিকিউরড শাপলা’, ‘অপারেশন ফ্ল্যাশ আউট’ এবং ‘অপারেশন ক্যাপচার শাপলা’ নামে সশস্ত্র অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের এই নামকরণগুলোই প্রমাণ করে যে এটি কোনো সাধারণ অভিযান ছিল না, বরং একটি পরিকল্পিত হত্যাযজ্ঞ ছিল।