ঢাকা ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লায় রয়েল কোচ পরিবহনের তিনটি বাসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

কুমিল্লা জাঙ্গালিয়া বাস ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রয়েল কোচ পরিবহনের তিনটি বাস পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রবিবার দুপুর একটার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়েই কুমিল্লা ইপিজেড ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানিয়েছেন, আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। জাঙ্গালিয়া বাস স্ট্যান্ডের কয়েকজন কর্মী জানান, দীর্ঘ দিন ধরে রয়েল কোচ পরিবহনের বাসগুলো সেখানে পার্কিং করা ছিল এবং মাদকসেবীরা সেখানে মাদক সেবন করত। তারা আরও জানান, আগুন লাগার পরপরই কয়েকজন মাদকসেবী পালিয়ে যেতে দেখেছে।

রয়েল কোচ পরিবহনের মালিক সাইফুল ইসলাম খান জানান, গত ৫ আগস্ট কাউন্টার ভাঙচুরের পর থেকে এই তিনটি বাস ওই জায়গার মালিক আজাদের কাছে ছিল। তিনি আরও জানান, বাসগুলোতে ইঞ্জিন ছিল না এবং তিনি সেগুলো লাগানোর প্রক্রিয়া করছিলেন।

কুমিল্লা ইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা দমকল বাহিনীকে খবর দেন। তিনটি বাস সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে এবং আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালিতে আটকে থাকা বাংলাদেশি জাহাজ ছেড়ে দেওয়ার আশ্বাস ইরানের

কুমিল্লায় রয়েল কোচ পরিবহনের তিনটি বাসে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড

আপডেট সময় : ০৪:৫২:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লা জাঙ্গালিয়া বাস ডিপোতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় রয়েল কোচ পরিবহনের তিনটি বাস পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। রবিবার দুপুর একটার দিকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়েই কুমিল্লা ইপিজেড ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে।

ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা জানিয়েছেন, আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি, তবে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে। জাঙ্গালিয়া বাস স্ট্যান্ডের কয়েকজন কর্মী জানান, দীর্ঘ দিন ধরে রয়েল কোচ পরিবহনের বাসগুলো সেখানে পার্কিং করা ছিল এবং মাদকসেবীরা সেখানে মাদক সেবন করত। তারা আরও জানান, আগুন লাগার পরপরই কয়েকজন মাদকসেবী পালিয়ে যেতে দেখেছে।

রয়েল কোচ পরিবহনের মালিক সাইফুল ইসলাম খান জানান, গত ৫ আগস্ট কাউন্টার ভাঙচুরের পর থেকে এই তিনটি বাস ওই জায়গার মালিক আজাদের কাছে ছিল। তিনি আরও জানান, বাসগুলোতে ইঞ্জিন ছিল না এবং তিনি সেগুলো লাগানোর প্রক্রিয়া করছিলেন।

কুমিল্লা ইপিজেড পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. সাইফুল ইসলাম জানান, আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা দমকল বাহিনীকে খবর দেন। তিনটি বাস সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে এবং আগুন লাগার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত চলছে।