ঢাকা ০৭:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

৫০ বছর পর আবারও চাঁদে মানুষ: কেন এখনই পৃষ্ঠে পা রাখছেন না নভোচারীরা?

১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ মিশনের মাধ্যমে নীল আর্মস্ট্রং যখন চাঁদে পা রেখেছিলেন, তখন প্রযুক্তির যে সীমাবদ্ধতা ছিল, বর্তমানের একটি সাধারণ স্মার্টফোন তার চেয়েও বেশি শক্তিশালী। তা সত্ত্বেও অর্ধশতাব্দী পর নাসা যখন আবারও আর্টেমিস-২ মিশনের মাধ্যমে চাঁদে মানুষ পাঠাচ্ছে, তখন নভোচারীরা কেন চাঁদের মাটিতে নামবেন না, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আর্টেমিস-২ মিশনে চারজন নভোচারী ওরিয়ন মহাকাশযানে করে চাঁদের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। তবে তারা চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ না করে কেবল এই উপগ্রহটিকে প্রদক্ষিণ করবেন। মূলত ২০২৮ সালে আর্টেমিস-৪ মিশনের মাধ্যমে আবারও মানুষের চাঁদে পা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে নাসার। বর্তমান মিশনটি মূলত ভবিষ্যতে সফল অবতরণের প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রণকৌশল যাচাইয়ের জন্য পরিচালিত হচ্ছে।

নাসার এই দীর্ঘসূত্রতার পেছনে বেশ কিছু প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণ রয়েছে। যদিও ৫০ বছর আগেই আমেরিকা এই সাফল্য অর্জন করেছিল, তবে বর্তমানের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপট ও নতুন প্রযুক্তির নিখুঁত ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই বাড়তি সতর্কতা। রিড ওয়াইজম্যান, ক্রিস্টিনা কচদের এই ১০ দিনের যাত্রা মূলত আর্টেমিস-৩ মিশনের ভিত্তি তৈরি করবে, যা মানবজাতির মহাকাশ গবেষণায় নতুন এক দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলা বাজারের হালখাতা: নতুন খাতা, পুরনো হিসাবের টানাপোড়েন

৫০ বছর পর আবারও চাঁদে মানুষ: কেন এখনই পৃষ্ঠে পা রাখছেন না নভোচারীরা?

আপডেট সময় : ০৪:৪৯:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

১৯৬৯ সালে অ্যাপোলো-১১ মিশনের মাধ্যমে নীল আর্মস্ট্রং যখন চাঁদে পা রেখেছিলেন, তখন প্রযুক্তির যে সীমাবদ্ধতা ছিল, বর্তমানের একটি সাধারণ স্মার্টফোন তার চেয়েও বেশি শক্তিশালী। তা সত্ত্বেও অর্ধশতাব্দী পর নাসা যখন আবারও আর্টেমিস-২ মিশনের মাধ্যমে চাঁদে মানুষ পাঠাচ্ছে, তখন নভোচারীরা কেন চাঁদের মাটিতে নামবেন না, তা নিয়ে জনমনে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

আর্টেমিস-২ মিশনে চারজন নভোচারী ওরিয়ন মহাকাশযানে করে চাঁদের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবেন। তবে তারা চাঁদের পৃষ্ঠে অবতরণ না করে কেবল এই উপগ্রহটিকে প্রদক্ষিণ করবেন। মূলত ২০২৮ সালে আর্টেমিস-৪ মিশনের মাধ্যমে আবারও মানুষের চাঁদে পা রাখার পরিকল্পনা রয়েছে নাসার। বর্তমান মিশনটি মূলত ভবিষ্যতে সফল অবতরণের প্রস্তুতি হিসেবে বিভিন্ন কারিগরি পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও রণকৌশল যাচাইয়ের জন্য পরিচালিত হচ্ছে।

নাসার এই দীর্ঘসূত্রতার পেছনে বেশ কিছু প্রযুক্তিগত ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত কারণ রয়েছে। যদিও ৫০ বছর আগেই আমেরিকা এই সাফল্য অর্জন করেছিল, তবে বর্তমানের পরিবর্তিত প্রেক্ষাপট ও নতুন প্রযুক্তির নিখুঁত ব্যবহার নিশ্চিত করতেই এই বাড়তি সতর্কতা। রিড ওয়াইজম্যান, ক্রিস্টিনা কচদের এই ১০ দিনের যাত্রা মূলত আর্টেমিস-৩ মিশনের ভিত্তি তৈরি করবে, যা মানবজাতির মহাকাশ গবেষণায় নতুন এক দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে আশা করা হচ্ছে।