ঢাকা ০৮:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

পাবনার চাটমোহরে ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি, প্রশাসনের নীরবতা

পাবনার চাটমোহরে রাতের অন্ধকারে শত শত বিঘা ফসলি জমির টপসয়েল কেটে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে একটি চক্র এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বৃ-রায়নগর প্রাইমারি স্কুলের পাশে সালাম এবং নজরুলের ১৮ বিঘা ফসলি জমি থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাতভর ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ট্রাক, ট্রলি ও ট্রাক্টরে করে পাচার করা হচ্ছে। বাঘলবাড়ী গ্রামের গোলজার হোসেন এবং মনির তত্ত্বাবধানে এই মাটি বিক্রির মহোৎসব চললেও কেউ যেন দেখার নেই। রাতের আঁধারে মাটি বহনকারী ভারী যানবাহনগুলোর বিকট শব্দে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে এবং জনজীবনে বিঘ্ন ঘটছে।

একাধিক সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল এবং দলীয় নেতাদের ইন্ধনে গোলজার গং প্রশাসনসহ বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়মিত ‘বিকাশ’ বা উৎকোচ পাঠিয়ে এই অপকর্ম দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসছে।

মাটি কাটার মূলহোতা গোলজার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী জানিয়েছেন, ফসলি জমি কেটে বিক্রির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে উপজেলার ছাইকোলা, নিমাইচরা, হরিপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নেও ভেকু দিয়ে ফসলি জমির টপসয়েল বিক্রির একই ধরনের মহোৎসব চলছে বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আজকের ক্রীড়াঙ্গনে উত্তেজনার পারদ: পিএসএল ও ম্যানইউ-লিডসের মহারণ

পাবনার চাটমোহরে ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রি, প্রশাসনের নীরবতা

আপডেট সময় : ০৪:৪৪:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

পাবনার চাটমোহরে রাতের অন্ধকারে শত শত বিঘা ফসলি জমির টপসয়েল কেটে ইটভাটাসহ বিভিন্ন স্থানে বিক্রি করা হচ্ছে। স্থানীয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করে একটি চক্র এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপজেলার হান্ডিয়াল ইউনিয়নের বৃ-রায়নগর প্রাইমারি স্কুলের পাশে সালাম এবং নজরুলের ১৮ বিঘা ফসলি জমি থেকে প্রতিদিন সন্ধ্যা থেকে রাতভর ভেকু দিয়ে মাটি কেটে ট্রাক, ট্রলি ও ট্রাক্টরে করে পাচার করা হচ্ছে। বাঘলবাড়ী গ্রামের গোলজার হোসেন এবং মনির তত্ত্বাবধানে এই মাটি বিক্রির মহোৎসব চললেও কেউ যেন দেখার নেই। রাতের আঁধারে মাটি বহনকারী ভারী যানবাহনগুলোর বিকট শব্দে পরিবেশ দূষণ হচ্ছে এবং জনজীবনে বিঘ্ন ঘটছে।

একাধিক সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় প্রভাবশালী মহল এবং দলীয় নেতাদের ইন্ধনে গোলজার গং প্রশাসনসহ বিভিন্ন পর্যায়ে নিয়মিত ‘বিকাশ’ বা উৎকোচ পাঠিয়ে এই অপকর্ম দীর্ঘদিন ধরে চালিয়ে আসছে।

মাটি কাটার মূলহোতা গোলজার হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। চাটমোহর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুসা নাসের চৌধুরী জানিয়েছেন, ফসলি জমি কেটে বিক্রির সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে উপজেলার ছাইকোলা, নিমাইচরা, হরিপুরসহ বিভিন্ন ইউনিয়নেও ভেকু দিয়ে ফসলি জমির টপসয়েল বিক্রির একই ধরনের মহোৎসব চলছে বলে জানা গেছে।