ঢাকা ০৯:৩৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

শ্রীপুরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মা ও শিশুপুত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু

গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে তিন বছরের একমাত্র শিশুপুত্রকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক মা। শুক্রবার সকালে উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর রেলওয়ে স্টেশনের নিকটবর্তী আউটার সিগন্যাল এলাকায় এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। নিহত মিতি রানী দাস (৩৫) স্থানীয় এক স্কুলশিক্ষকের স্ত্রী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস এলাকার বিপরীত পাশে রেললাইনের ধারে শিশুটিকে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বসে ছিলেন মিতি রানী। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনটি যখন ওই এলাকা অতিক্রম করছিল, তখন তিনি হঠাৎ করেই শিশু রুদ্র দাসকে নিয়ে চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই মায়ের মৃত্যু হয় এবং পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে শিশুটির মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে দেবরের সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মিতি রানীর কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই অভিমান থেকেই তিনি এমন চরম পথ বেছে নিয়েছেন। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় লিজেন্ডারি সংগীতশিল্পী আশা ভোঁসলেকে শেষ বিদায়

শ্রীপুরে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে মা ও শিশুপুত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু

আপডেট সময় : ১১:০১:৩৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

গাজীপুরের শ্রীপুরে পারিবারিক কলহের জেরে তিন বছরের একমাত্র শিশুপুত্রকে নিয়ে ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন এক মা। শুক্রবার সকালে উপজেলার রাজাবাড়ী ইউনিয়নের রাজেন্দ্রপুর রেলওয়ে স্টেশনের নিকটবর্তী আউটার সিগন্যাল এলাকায় এই হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটে। নিহত মিতি রানী দাস (৩৫) স্থানীয় এক স্কুলশিক্ষকের স্ত্রী ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাজেন্দ্রপুর সেনানিবাস এলাকার বিপরীত পাশে রেললাইনের ধারে শিশুটিকে নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বসে ছিলেন মিতি রানী। ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা তিস্তা এক্সপ্রেস ট্রেনটি যখন ওই এলাকা অতিক্রম করছিল, তখন তিনি হঠাৎ করেই শিশু রুদ্র দাসকে নিয়ে চলন্ত ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দেন। এতে ঘটনাস্থলেই মায়ের মৃত্যু হয় এবং পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে শিশুটির মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন সকালে দেবরের সঙ্গে তুচ্ছ বিষয় নিয়ে মিতি রানীর কথা-কাটাকাটি হয়েছিল। ধারণা করা হচ্ছে, সেই অভিমান থেকেই তিনি এমন চরম পথ বেছে নিয়েছেন। পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও রেলওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে লাশের পরিচয় শনাক্ত করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।