ঢাকা ০৫:৫১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ জুন ২০২৬

উপকূল রক্ষায় মিরসরাইয়ে গোলপাতার সবুজ বেষ্টনী: নতুন বনাঞ্চলের হাতছানি

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপকূলে জেগে ওঠা নতুন চরে ভাঙন রোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বন বিভাগ এক অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। উপকূলীয় এলাকায় প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে গোলপাতার সবুজ বেষ্টনী। খালপাড়জুড়ে সারিবদ্ধভাবে বেড়ে ওঠা এই গাছগুলো এখন ডালপালা মেলে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নিরাপত্তা বাঁধের বাইরের অংশে জেগে ওঠা চরকে স্থায়ী রূপ দিতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বনায়ন কর্মসূচি শুরু হয়। উপজেলার ডোমখালী, মঘাদিয়া ও বামনসুন্দর বিট এলাকায় প্রায় ৮২০ হেক্টর জমিতে কেওড়া ও বাইন গাছের পাশাপাশি পরীক্ষামূলকভাবে গোলপাতা রোপণ করা হয়েছে। সুন্দরবন ও বরিশাল থেকে সংগ্রহ করা প্রায় ৩০ হাজার চারা ও বীজ ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রোপণ করা হয়, যার মধ্যে বর্তমানে ১০ হাজার গাছ টিকে আছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গোলপাতা সাধারণত সুন্দরবন এলাকায় দেখা গেলেও মিরসরাইয়ের লোনা পানিতেও এটি মানিয়ে নিয়েছে। এর শক্তিশালী শিকড় মাটিকে শক্তভাবে ধরে রাখে, যা নদী ভাঙন রোধে অত্যন্ত কার্যকর। এছাড়া এই বনাঞ্চল জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এবং পাখির অভয়াশ্রম তৈরিতেও ভূমিকা রাখছে। স্থানীয়রা আগে এই গাছ বইয়ে পড়লেও এখন নিজ এলাকায় দেখতে পেয়ে আনন্দিত।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নবাব সলিমুল্লাহর দূরদর্শী পদক্ষেপে মুসলিম নারী শিক্ষার বিস্তার

উপকূল রক্ষায় মিরসরাইয়ে গোলপাতার সবুজ বেষ্টনী: নতুন বনাঞ্চলের হাতছানি

আপডেট সময় : ১১:০১:২৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ এপ্রিল ২০২৬

চট্টগ্রামের মিরসরাই উপকূলে জেগে ওঠা নতুন চরে ভাঙন রোধ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় বন বিভাগ এক অনন্য উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। উপকূলীয় এলাকায় প্রাকৃতিক ঢাল হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে গোলপাতার সবুজ বেষ্টনী। খালপাড়জুড়ে সারিবদ্ধভাবে বেড়ে ওঠা এই গাছগুলো এখন ডালপালা মেলে দৃশ্যমান হয়ে উঠছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করছে।

বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলের নিরাপত্তা বাঁধের বাইরের অংশে জেগে ওঠা চরকে স্থায়ী রূপ দিতে ২০২২-২৩ অর্থবছরে বনায়ন কর্মসূচি শুরু হয়। উপজেলার ডোমখালী, মঘাদিয়া ও বামনসুন্দর বিট এলাকায় প্রায় ৮২০ হেক্টর জমিতে কেওড়া ও বাইন গাছের পাশাপাশি পরীক্ষামূলকভাবে গোলপাতা রোপণ করা হয়েছে। সুন্দরবন ও বরিশাল থেকে সংগ্রহ করা প্রায় ৩০ হাজার চারা ও বীজ ১০ কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রোপণ করা হয়, যার মধ্যে বর্তমানে ১০ হাজার গাছ টিকে আছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গোলপাতা সাধারণত সুন্দরবন এলাকায় দেখা গেলেও মিরসরাইয়ের লোনা পানিতেও এটি মানিয়ে নিয়েছে। এর শক্তিশালী শিকড় মাটিকে শক্তভাবে ধরে রাখে, যা নদী ভাঙন রোধে অত্যন্ত কার্যকর। এছাড়া এই বনাঞ্চল জীববৈচিত্র্য রক্ষায় এবং পাখির অভয়াশ্রম তৈরিতেও ভূমিকা রাখছে। স্থানীয়রা আগে এই গাছ বইয়ে পড়লেও এখন নিজ এলাকায় দেখতে পেয়ে আনন্দিত।