ঢাকা ১১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

বাহরাইনে অ্যামাজন ক্লাউড সেন্টারে হামলার দাবি আইআরজিসির, ‘প্রথম সতর্কবার্তা’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১০:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বাহরাইনে অ্যামাজনের একটি ক্লাউড কম্পিউটিং সেন্টারে হামলা চালানোর দাবি করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা এ তথ্য জানিয়েছে। আইআরজিসি এই হামলাকে “প্রথম বাস্তব সতর্কবার্তা” হিসেবে অভিহিত করেছে, যা মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় ইরানের বেসরকারি অবকাঠামোগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, যদি পূর্বের সতর্কতা উপেক্ষা করা হয় এবং হামলা বা হত্যাকাণ্ড অব্যাহত থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা যেসব কোম্পানির কথা ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছি, তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ অঞ্চলে এসব প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ ধ্বংসের দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ওপরই বর্তাবে।”

চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই ধরনের হামলার দাবি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। ইরান দীর্ঘদিন ধরে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং ইসরাইলের সঙ্গে তাদের সহযোগিতার সমালোচনা করে আসছে। এই হামলা সেই উত্তেজনারই একটি নতুন বহিঃপ্রকাশ।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সীতাকুণ্ডে কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পে অনিয়মের অভিযোগ, পরিদর্শনে কর্মকর্তারা

বাহরাইনে অ্যামাজন ক্লাউড সেন্টারে হামলার দাবি আইআরজিসির, ‘প্রথম সতর্কবার্তা’

আপডেট সময় : ১০:৪০:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) বাহরাইনে অ্যামাজনের একটি ক্লাউড কম্পিউটিং সেন্টারে হামলা চালানোর দাবি করেছে। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা এ তথ্য জানিয়েছে। আইআরজিসি এই হামলাকে “প্রথম বাস্তব সতর্কবার্তা” হিসেবে অভিহিত করেছে, যা মার্কিন-ইসরাইলি হামলায় ইরানের বেসরকারি অবকাঠামোগুলো ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার প্রতিশোধ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

আইআরজিসি এক বিবৃতিতে সতর্ক করে বলেছে, যদি পূর্বের সতর্কতা উপেক্ষা করা হয় এবং হামলা বা হত্যাকাণ্ড অব্যাহত থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “আমরা যেসব কোম্পানির কথা ইতোমধ্যে ঘোষণা করেছি, তাদের বিরুদ্ধে আরও কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ অঞ্চলে এসব প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ ধ্বংসের দায়ভার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের ওপরই বর্তাবে।”

চলমান উত্তেজনার মধ্যে এই ধরনের হামলার দাবি মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত আরও বিস্তৃত হওয়ার আশঙ্কা বাড়াচ্ছে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। ইরান দীর্ঘদিন ধরে উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি এবং ইসরাইলের সঙ্গে তাদের সহযোগিতার সমালোচনা করে আসছে। এই হামলা সেই উত্তেজনারই একটি নতুন বহিঃপ্রকাশ।