যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তি অনুযায়ী গাজার বাইরে গিয়ে উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার কথা থাকলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ইসরাইলি কড়াকড়িতে তা সম্ভব হচ্ছে না। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ২১ হাজার মানুষের চিকিৎসার জন্য বাইরে যাওয়ার কথা থাকলেও মাত্র ৭ হাজার ৫০০ জন অনুমতি পেয়েছেন, যা লক্ষ্যমাত্রার ৩৬ শতাংশ মাত্র।
মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন এমন রোগীদের এক-তৃতীয়াংশই এখনও গাজায় আটকা পড়ে আছেন। তাদের সঙ্গে সহায়তাকারী হিসেবে দুইজন করে যাওয়ার কথা থাকলেও সেই প্রক্রিয়াও থমকে আছে। সময়মতো সুচিকিৎসা না পাওয়ায় এই রোগীদের বড় একটি অংশ এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন।
এদিকে, সীমিত জনবল ও সরঞ্জামের অভাবে ধুঁকছে গাজার নাসের হাসপাতাল। ইসরাইলি বাহিনীর উপর্যুপরি অভিযান ও হামলার কারণে হাসপাতালটির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এমনকি আহতদের উদ্ধার কাজে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সগুলোও রেহাই পাচ্ছে না। ইসরাইলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ও পুড়ে যাওয়া এসব অ্যাম্বুলেন্সের কারণে জরুরি উদ্ধার কাজ প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























