ঢাকা ১২:৪২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুন ২০২৬

গাজায় স্বাস্থ্যসেবায় চরম বিপর্যয়: চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর ঝুঁকিতে হাজারো রোগী

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তি অনুযায়ী গাজার বাইরে গিয়ে উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার কথা থাকলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ইসরাইলি কড়াকড়িতে তা সম্ভব হচ্ছে না। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ২১ হাজার মানুষের চিকিৎসার জন্য বাইরে যাওয়ার কথা থাকলেও মাত্র ৭ হাজার ৫০০ জন অনুমতি পেয়েছেন, যা লক্ষ্যমাত্রার ৩৬ শতাংশ মাত্র।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন এমন রোগীদের এক-তৃতীয়াংশই এখনও গাজায় আটকা পড়ে আছেন। তাদের সঙ্গে সহায়তাকারী হিসেবে দুইজন করে যাওয়ার কথা থাকলেও সেই প্রক্রিয়াও থমকে আছে। সময়মতো সুচিকিৎসা না পাওয়ায় এই রোগীদের বড় একটি অংশ এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন।

এদিকে, সীমিত জনবল ও সরঞ্জামের অভাবে ধুঁকছে গাজার নাসের হাসপাতাল। ইসরাইলি বাহিনীর উপর্যুপরি অভিযান ও হামলার কারণে হাসপাতালটির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এমনকি আহতদের উদ্ধার কাজে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সগুলোও রেহাই পাচ্ছে না। ইসরাইলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ও পুড়ে যাওয়া এসব অ্যাম্বুলেন্সের কারণে জরুরি উদ্ধার কাজ প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুরের বদরগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় পৃথক ঘটনায় ৬ জনের মৃত্যু

গাজায় স্বাস্থ্যসেবায় চরম বিপর্যয়: চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুর ঝুঁকিতে হাজারো রোগী

আপডেট সময় : ১১:৪০:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬

যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকায় স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থা পুরোপুরি ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের মধ্যস্থতায় হওয়া চুক্তি অনুযায়ী গাজার বাইরে গিয়ে উন্নত চিকিৎসা পাওয়ার কথা থাকলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও ইসরাইলি কড়াকড়িতে তা সম্ভব হচ্ছে না। গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত অক্টোবর থেকে এ পর্যন্ত ২১ হাজার মানুষের চিকিৎসার জন্য বাইরে যাওয়ার কথা থাকলেও মাত্র ৭ হাজার ৫০০ জন অনুমতি পেয়েছেন, যা লক্ষ্যমাত্রার ৩৬ শতাংশ মাত্র।

মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন এমন রোগীদের এক-তৃতীয়াংশই এখনও গাজায় আটকা পড়ে আছেন। তাদের সঙ্গে সহায়তাকারী হিসেবে দুইজন করে যাওয়ার কথা থাকলেও সেই প্রক্রিয়াও থমকে আছে। সময়মতো সুচিকিৎসা না পাওয়ায় এই রোগীদের বড় একটি অংশ এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন।

এদিকে, সীমিত জনবল ও সরঞ্জামের অভাবে ধুঁকছে গাজার নাসের হাসপাতাল। ইসরাইলি বাহিনীর উপর্যুপরি অভিযান ও হামলার কারণে হাসপাতালটির কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। এমনকি আহতদের উদ্ধার কাজে ব্যবহৃত অ্যাম্বুলেন্সগুলোও রেহাই পাচ্ছে না। ইসরাইলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ও পুড়ে যাওয়া এসব অ্যাম্বুলেন্সের কারণে জরুরি উদ্ধার কাজ প্রায় অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।