ঢাকা ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

রুয়েট ক্যাম্পাসে ক্যান্টিনে বসা নিয়ে শিক্ষার্থীকে মারধর, উত্তপ্ত পরিস্থিতি

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) ক্যাম্পাসের ক্যান্টিনে বসা নিয়ে বিরোধের জেরে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বাংলা টিফিন’ নামক ক্যান্টিনে এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে।

জানা গেছে, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তৌফিকুল ইসলাম তার এক বন্ধুর সাথে ক্যান্টিনে খেতে যান। এসময় কিছু অচেনা শিক্ষার্থী এসে তাদের চেয়ার ছেড়ে দিতে চাপ দেয়। তৌফিকুল তাদের পাশে বসতে বললে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয় এবং এক পর্যায়ে তিন-চারজন শিক্ষার্থী তাকে মারধর করে আহত করে।

ঘটনার পর পরই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। প্রাথমিকভাবে ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি অস্বীকার করলেও প্রত্যক্ষদর্শীদের চাপের মুখে তারা কেবল মৌখিক উত্তেজনার কথা স্বীকার করে। তবে পরে মারামারির ঘটনাও স্বীকার করতে বাধ্য হয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তৌফিকুল ইসলাম জানান, তারা খেতে বসলে কিছু অপরিচিত শিক্ষার্থী তাদের উঠে যেতে বলে। প্রতিবাদ করলে তাকে গালিগালাজ করা হয় এবং পরে মারধর করা হয়।

রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপপরিচালক এইচএম মঞ্জুর মোর্শেদ এ ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর বক্তব্য অনুযায়ী দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মায়ের পাতে কতটা খাবার? উপেক্ষিত পুষ্টি ও নীরব আত্মত্যাগের চিত্র

রুয়েট ক্যাম্পাসে ক্যান্টিনে বসা নিয়ে শিক্ষার্থীকে মারধর, উত্তপ্ত পরিস্থিতি

আপডেট সময় : ০৮:৫১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (রুয়েট) ক্যাম্পাসের ক্যান্টিনে বসা নিয়ে বিরোধের জেরে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। বুধবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বাংলা টিফিন’ নামক ক্যান্টিনে এই অপ্রীতিকর ঘটনাটি ঘটে।

জানা গেছে, মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তৌফিকুল ইসলাম তার এক বন্ধুর সাথে ক্যান্টিনে খেতে যান। এসময় কিছু অচেনা শিক্ষার্থী এসে তাদের চেয়ার ছেড়ে দিতে চাপ দেয়। তৌফিকুল তাদের পাশে বসতে বললে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয় এবং এক পর্যায়ে তিন-চারজন শিক্ষার্থী তাকে মারধর করে আহত করে।

ঘটনার পর পরই বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখার সদস্যরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। প্রাথমিকভাবে ক্যান্টিন কর্তৃপক্ষ ঘটনাটি অস্বীকার করলেও প্রত্যক্ষদর্শীদের চাপের মুখে তারা কেবল মৌখিক উত্তেজনার কথা স্বীকার করে। তবে পরে মারামারির ঘটনাও স্বীকার করতে বাধ্য হয়।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী তৌফিকুল ইসলাম জানান, তারা খেতে বসলে কিছু অপরিচিত শিক্ষার্থী তাদের উঠে যেতে বলে। প্রতিবাদ করলে তাকে গালিগালাজ করা হয় এবং পরে মারধর করা হয়।

রুয়েটের ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের উপপরিচালক এইচএম মঞ্জুর মোর্শেদ এ ঘটনাকে অত্যন্ত দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ভুক্তভোগীর বক্তব্য অনুযায়ী দোষীদের শনাক্ত করে দ্রুত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।