বিদেশে কর্মী পাঠানোর নামে শতকোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার দেখিয়েছে আদালত। মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগে বনানী থানায় দায়ের করা এই মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়। সোমবার (১১ মে) ঢাকা অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সেফাতুল্লাহ তাকে গ্রেফতার দেখানোর আদেশ দেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, ২০১৬ সালের ১৮ আগস্ট থেকে ২০২৪ সালের ৩০ মে পর্যন্ত ৯ হাজার ৩৭২ জন কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত ৭৮ হাজার ৯৯০ টাকার পরিবর্তে জনপ্রতি ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা নেওয়া হয়। এছাড়া পাসপোর্ট, কোভিড-১৯ টেস্ট, মেডিক্যাল ও পোশাক বাবদ আরও ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করা হয়। এতে জনপ্রতি অতিরিক্ত আদায়ের পরিমাণ দাঁড়ায় ১ লাখ ৭ হাজার ৫১০ টাকা। সব মিলিয়ে প্রায় ১০০ কোটি ৭৫ লাখ ৮৩ হাজার ৭২০ টাকা অবৈধভাবে আদায় ও পাচারের অভিযোগ আনা হয়েছে।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ গ্রহণ, হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে আসামিরা মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। এই ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামি বর্তমানে জেল হাজতে আটক থাকায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে এই মামলায় গ্রেফতার দেখানোর আবেদন করা হয়েছিল, যা আদালত মঞ্জুর করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ২৩ মার্চ দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএস এলাকার নিজ বাসা থেকে মাসুদ উদ্দিনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। পরদিন ২৪ মার্চ সিন্ডিকেট করে অর্থ আত্মসাৎ ও মানবপাচারের অভিযোগে পল্টন থানায় দায়ের করা মামলায় আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এরপর বিভিন্ন সময়ে একাধিক মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়।
রিপোর্টারের নাম 



















