বাংলাদেশে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপি হওয়া ব্যক্তিরা বিগত নির্বাচনে ১৩৩ জন অংশ নিয়েছেন এবং বিভিন্নভাবে নির্বাচনে টিকে গেছেন বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী পরিষদ সদস্য ড. রেজাউল করিম। তিনি প্রশ্ন তোলেন, যেখানে সামান্য চুরির জন্য কঠোর আইন ও শাস্তি রয়েছে, সেখানে বিশাল অঙ্কের ঋণখেলাপিরা কীভাবে পার পেয়ে যায়।
বুধবার (১ এপ্রিল) লক্ষ্মীপুর শহরের ঐতিহ্য কনভেনশন সেন্টারে নবাগত আইনজীবীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ড. রেজাউল করিম এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, সমাজের অসহায়দের পাশে দাঁড়ানোর পাশাপাশি যারা দুর্নীতি, অন্যায়, বিচার, খুন-খারাবি করে তাদের বিরুদ্ধেও রুখে দাঁড়াতে হবে।
তিনি সাগর-রুনি হত্যা এবং আবু সাইদ-মুগ্ধদের মামলার দীর্ঘসূত্রিতা ও ষড়যন্ত্রের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, যে বাংলাদেশের জন্য আমরা সংগ্রাম করেছিলাম, সেখানে যেন এমন পরিস্থিতি তৈরি না হয়।
ড. রেজাউল আরও বলেন, সরকার দুর্নীতি দমন কমিশন গঠনের পদ্ধতি সহজ করে দিতে চাইছে। পাশাপাশি গুম-খুন এবং ব্যাংক থেকে হাজার হাজার কোটি টাকা ঋণখেলাপি হয়ে ব্যাংককে ধ্বংস করা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইন শিথিল করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন।
রিপোর্টারের নাম 
























