ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

তেল সংকটে বাইকারদের মহাসড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট

রাজধানীর বিমানবন্দরে অকটেন তেল না পেয়ে উত্তেজিত বাইকাররা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। এই ঘটনার জেরে মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় আধা ঘণ্টা পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অনুরোধে তারা সড়ক অবরোধ তুলে নেন।

রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের (ক্যাব) বিপরীত পাশে অবস্থিত মেসার্স মাসুদ হাসান ফিলিং স্টেশনের সামনের মহাসড়কে এই অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়। রাত পৌনে ১১টার দিকে উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বাইকারদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেন।

বিক্ষুব্ধ বাইকারদের অভিযোগ, তারা সন্ধ্যা থেকেই পাম্পে তেল সংগ্রহের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হঠাৎ করে পাম্পের কর্মীরা সব বন্ধ করে চলে যান। একজন বাইকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা তেলের জন্য অপেক্ষা করতে করতে শেষ পর্যন্ত রাস্তায় নেমে অবরোধ করতে বাধ্য হয়েছি। তেল ছাড়া আমাদের এখন কোথাও যাওয়ার উপায় নেই।’

এ বিষয়ে মাসুদ হাসান ফিলিং স্টেশনের অপারেটর মিজানুর রহমান জানান, ‘সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আমাদের পাম্পে তেল শেষ হয়ে যায়। এরপর আমরা চলে আসি। কারণ, তেল শেষ হওয়ার পর যে সমস্যা হতে পারে, তা আমরা আগে থেকেই জানতাম। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাইকাররা উত্তেজিত হয়ে রাস্তা অবরোধ করে।’ পুলিশ জানিয়েছে, তেল না পাওয়ার কারণে বাইকাররা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন। পরে তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিআইএন থাকলেও রিটার্ন জমা দেননি ৭৮ লাখ মানুষ, কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি এনবিআরের

তেল সংকটে বাইকারদের মহাসড়ক অবরোধ, তীব্র যানজট

আপডেট সময় : ০৪:২৩:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর বিমানবন্দরে অকটেন তেল না পেয়ে উত্তেজিত বাইকাররা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন। এই ঘটনার জেরে মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় আধা ঘণ্টা পর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের অনুরোধে তারা সড়ক অবরোধ তুলে নেন।

রবিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে সিভিল এভিয়েশন অথরিটি অব বাংলাদেশের (ক্যাব) বিপরীত পাশে অবস্থিত মেসার্স মাসুদ হাসান ফিলিং স্টেশনের সামনের মহাসড়কে এই অবরোধ কর্মসূচি পালিত হয়। রাত পৌনে ১১টার দিকে উত্তরা পূর্ব থানা পুলিশ, ট্রাফিক পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে বাইকারদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেন।

বিক্ষুব্ধ বাইকারদের অভিযোগ, তারা সন্ধ্যা থেকেই পাম্পে তেল সংগ্রহের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হঠাৎ করে পাম্পের কর্মীরা সব বন্ধ করে চলে যান। একজন বাইকার ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা তেলের জন্য অপেক্ষা করতে করতে শেষ পর্যন্ত রাস্তায় নেমে অবরোধ করতে বাধ্য হয়েছি। তেল ছাড়া আমাদের এখন কোথাও যাওয়ার উপায় নেই।’

এ বিষয়ে মাসুদ হাসান ফিলিং স্টেশনের অপারেটর মিজানুর রহমান জানান, ‘সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে আমাদের পাম্পে তেল শেষ হয়ে যায়। এরপর আমরা চলে আসি। কারণ, তেল শেষ হওয়ার পর যে সমস্যা হতে পারে, তা আমরা আগে থেকেই জানতাম। রাত সাড়ে ১০টার দিকে বাইকাররা উত্তেজিত হয়ে রাস্তা অবরোধ করে।’ পুলিশ জানিয়েছে, তেল না পাওয়ার কারণে বাইকাররা মহাসড়ক অবরোধ করেছিলেন। পরে তাদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।