সংসদের স্পিকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য প্রদানকে দুঃখজনক ও অনাকাঙ্ক্ষিত বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। রোববার সন্ধ্যায় সংসদ অধিবেশন শেষ হওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, কোনো বিষয়ে ব্যাখ্যার প্রয়োজন হলে তা আইনমন্ত্রী বা প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে আসা উচিত। কিন্তু স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রথম থেকেই নিজে বক্তব্য রাখছেন, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। এমনকি স্পিকারের রুলিংয়ের পরেও তিনি কথা বলতে আগ্রহী, যা অপ্রত্যাশিত। একজন সিনিয়র ও অভিজ্ঞ পার্লামেন্টারিয়ানের কাছ থেকে এমন আচরণ প্রত্যাশিত নয় বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মূলতবি প্রস্তাব প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান জানান, গত ১৫ মার্চ তারা সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন যে, জুলাই সনদ, সংস্কার প্রস্তাব এবং গণভোটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে সরকার উদাসীনতা দেখাচ্ছে। তিনি বলেন, ৭০ ভাগ মানুষের গণভোটকে উপেক্ষা করা সম্ভব নয়। সেদিন সংসদে বিষয়টি উত্থাপন করলে স্পিকার নোটিস দেওয়ার নির্দেশ দেন। রোববার তারা সেই নোটিস দাখিল করেন এবং তা পড়ে শোনানো হয়। বিভিন্ন বাধা সত্ত্বেও স্পিকার ৩১ তারিখে এ বিষয়ে আলোচনার অনুমতি দিয়েছেন। তিনি আশা করেন, সরকারি দল এই আলোচনায় সহযোগিতা করবে এবং সবাই মিলে এই সংকটের সমাধান করবে।
তিনি আরও বলেন, যে আদেশে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, একই আদেশে গণভোটও হয়েছে। তাই একটিকে বৈধ এবং অন্যটিকে অবৈধ বলা যায় না। এটি ‘ঝোল হালাল আর গোস্ত হারাম’ – এমন হতে পারে না। যদি একটি অবৈধ হয়, তবে দুটোই অবৈধ হবে। এই সংসদ একটি বিশেষ প্রেক্ষাপটে গঠিত হয়েছে। তিনি নিশ্চিত করেন যে, তারা ৩১ তারিখের আলোচনায় অংশ নেবেন এবং আশা করেন, সরকারি দল জুলাই চেতনার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে, জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে গ্রহণ করবে এবং ৭০ ভাগ মানুষের রায়কে সম্মান জানিয়ে এই সংকটের অবসান ঘটাবে।
রিপোর্টারের নাম 
























