সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান সংক্রান্ত বিষয়ে আগামী ৩১ মার্চ মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে দুই ঘন্টা ব্যাপী আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে। রোববার জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এই সিদ্ধান্ত জানান।
এর আগে, বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমান সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির ৬২ ধারা অনুযায়ী এই বিষয়টি মুলতবি প্রস্তাব আকারে উত্থাপন করেন। প্রস্তাবটিকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান আলোচনায় সম্মতির কথা জানান। তবে, তিনি সংসদ সদস্যদের জন্য বর্তমান সংবিধান, জুলাই জাতীয় সনদ, (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫, মদিনা সনদসহ কিছু প্রয়োজনীয় নথি সংসদ সদস্যদের সরবরাহ করার জন্য স্পিকারের কাছে অনুরোধ করেন।
ডেপুটি স্পিকার সিদ্ধান্ত ঘোষণার পূর্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে মুলতবি প্রস্তাবের বিধি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, প্রস্তাবটি ৬২ ধারা অনুযায়ী উপস্থাপিত হয়নি, বরং এটি ৬৮ ধারার আওতাভুক্ত, যেখানে মাত্র আধঘণ্টা আলোচনার সুযোগ থাকে। তিনি প্রস্তাবটি সংশোধন করার প্রয়োজন আছে কিনা তা বিরোধী দলীয় নেতার কাছে জানতে চান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, ৬৩ ধারার বিধান অনুযায়ী আইন সংশোধনের প্রয়োজন পড়ে এমন কোনো বিষয় মুলতবি প্রস্তাবে আলোচনা করা যায় না।
পরবর্তীতে, ডেপুটি স্পিকার আগামী ৩১ মার্চ বিষয়টি নিয়ে দুই ঘন্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত প্রদান করেন। ডেপুটি স্পিকারের সিদ্ধান্ত ঘোষণার পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী পুনরায় ফ্লোর চাইলে তিনি সাড়া দেননি। ডেপুটি স্পিকার জানান যে তিনি তার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছেন। এরপরও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বেশ কিছুক্ষণ সংসদে দাঁড়িয়ে ছিলেন, কিন্তু স্পিকার তাকে সময় না দিয়ে দিনের অন্যান্য কার্যসূচিতে চলে যান।
রিপোর্টারের নাম 
























