ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

স্বাস্থ্য খাতে চরম সংকট: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গজ-ব্যান্ডেজ-সিরিঞ্জ কেনারও টাকা নেই

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানিয়েছেন, বিগত সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক লুটপাট ও অব্যবস্থাপনার কারণে বর্তমানে উন্নয়নমূলক কাজের কোনো তহবিল নেই। এমনকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গজ, ব্যান্ডেজ ও সিরিঞ্জ কেনার মতো প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনারও পর্যাপ্ত অর্থ নেই বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

রবিবার জাতীয় সংসদে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সারের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে স্বাস্থ্যখাতে যে লুটপাট ও অব্যবস্থাপনা হয়েছে, তাতে কোনো চলমান প্রকল্পে উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। আড়াইশ শয্যার হাসপাতালগুলোর নির্মাণে ত্রুটিপূর্ণ পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন, যেখানে প্রকৌশলীদের পরিকল্পনার প্রবেশপথের পাশে বাথরুম তৈরি করা হয়েছে, যা দুর্গন্ধের কারণ হতে পারে। দ্রুত অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে খারাপ পরিকল্পনার মাধ্যমে হাসপাতালগুলোর অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়েছিল এবং ব্যাপক লুটপাট হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, দেশের বর্তমান আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, আগামী বাজেটের পর পর্যায়ক্রমে সীমিত সম্পদের মধ্য থেকে সব উপজেলায় জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টিআইএন থাকলেও রিটার্ন জমা দেননি ৭৮ লাখ মানুষ, কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি এনবিআরের

স্বাস্থ্য খাতে চরম সংকট: উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গজ-ব্যান্ডেজ-সিরিঞ্জ কেনারও টাকা নেই

আপডেট সময় : ০৭:৪২:৪৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানিয়েছেন, বিগত সরকারের আমলে স্বাস্থ্য খাতে ব্যাপক লুটপাট ও অব্যবস্থাপনার কারণে বর্তমানে উন্নয়নমূলক কাজের কোনো তহবিল নেই। এমনকি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গজ, ব্যান্ডেজ ও সিরিঞ্জ কেনার মতো প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম কেনারও পর্যাপ্ত অর্থ নেই বলে তিনি উল্লেখ করেছেন।

রবিবার জাতীয় সংসদে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সারের এক প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বিগত সরকারের আমলে স্বাস্থ্যখাতে যে লুটপাট ও অব্যবস্থাপনা হয়েছে, তাতে কোনো চলমান প্রকল্পে উন্নয়নমূলক কাজ হয়নি। আড়াইশ শয্যার হাসপাতালগুলোর নির্মাণে ত্রুটিপূর্ণ পরিকল্পনার কথাও তিনি উল্লেখ করেন, যেখানে প্রকৌশলীদের পরিকল্পনার প্রবেশপথের পাশে বাথরুম তৈরি করা হয়েছে, যা দুর্গন্ধের কারণ হতে পারে। দ্রুত অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে খারাপ পরিকল্পনার মাধ্যমে হাসপাতালগুলোর অবকাঠামো নির্মাণ শুরু হয়েছিল এবং ব্যাপক লুটপাট হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, দেশের বর্তমান আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার আলোচনা করেছেন। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে, আগামী বাজেটের পর পর্যায়ক্রমে সীমিত সম্পদের মধ্য থেকে সব উপজেলায় জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।