জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো সভাপতিত্ব করার সময় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল সংসদ পরিচালনায় নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের অঙ্গীকার করেছেন। তিনি বলেছেন যে তিনি সংসদের সকল সদস্যের অধিকার, মর্যাদা এবং সুযোগের সমতা রক্ষায় সর্বদা নিরপেক্ষ থাকবেন।
স্পিকারের অনুপস্থিতিতে রবিবার বেলা ৩টায় শুরু হওয়া অধিবেশনে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অধিবেশন শুরু হয়।
বৈঠকের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে ডেপুটি স্পিকার সংসদ পরিচালনায় সকলের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি জানান যে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার জন্য তিনি ইতোমধ্যে সরকার ও দলের পদ থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ডেপুটি স্পিকার হিসেবে নির্বাচিত করে যে আস্থা ও সম্মান দেখানো হয়েছে, তার জন্য তিনি সংসদ নেতা, প্রধানমন্ত্রী এবং সকল সদস্যের প্রতি কৃতজ্ঞ।
এরপর চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম ও বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান স্বাগত বক্তব্য রাখেন। বিরোধীদলীয় নেতা সংসদীয় কাজে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
পরবর্তীতে, স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের স্ত্রী দিলারা হাফিজ এবং যশোর-৬ আসনের সংসদ সদস্য মোক্তার আলীর মায়ের মৃত্যুতে তাদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে সংসদে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম।
২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে ডেপুটি স্পিকার বলেন, ওই আন্দোলন গণতন্ত্রের দ্বার উন্মুক্ত করেছে এবং জুলাই-অগাস্টের শহীদদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন যে সংসদের অনেক সদস্য তার চেয়ে বেশি জ্ঞানী, প্রাজ্ঞ ও অভিজ্ঞ, তাই দায়িত্ব পালনে তিনি সদস্যদের সহযোগিতা চান।
সংসদকে প্রজাতন্ত্রের গণতান্ত্রিক কাঠামোর কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বর্ণনা করে কায়সার কামাল বলেন, গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হলো আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যকারিতা। তিনি মন্তব্য করেন যে আইন সবার জন্য সমান, সরকার কিংবা জনগণ কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়।
সরকার ও বিরোধী দলের ভূমিকার কথা তুলে ধরে ডেপুটি স্পিকার বলেন, কার্যকর সংসদীয় গণতন্ত্রে উভয় পক্ষেরই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। সরকার জনগণের ম্যান্ডেট অনুযায়ী রাষ্ট্র পরিচালনা করে…
রিপোর্টারের নাম 
























