বই মানুষের জ্ঞানের পরিধি বাড়ানোর পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তি ও চিন্তাশক্তি বৃদ্ধি করে। ছাত্রজীবনে নিয়মিত পড়াশোনা করা হলেও কর্মজীবনে প্রবেশের পর সময়ের অভাবে অনেকেই বই পড়ার অভ্যাস হারিয়ে ফেলেন। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত পড়ার চর্চা না থাকলে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা ধীরে ধীরে হ্রাস পেতে থাকে এবং মনোযোগ দেওয়ার ক্ষমতা কমে যায়। তাই বয়স বা ব্যস্ততাকে অজুহাত না বানিয়ে নিয়মিত বই পড়ার চর্চা অব্যাহত রাখা প্রয়োজন।
বই পড়ার অভ্যাস পুনরায় ফিরিয়ে আনতে প্রতি মাসে অন্তত একটি বই পড়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা যেতে পারে। নিজের পছন্দের বিষয় দিয়ে শুরু করলে পড়ার গতি বাড়বে এবং বিরক্তি আসবে না। সাহিত্য, জীবনী, দর্শন বা ইতিহাস—তালিকাটি হতে পারে বৈচিত্র্যময়। একঘেয়েমি কাটাতে মাঝেমধ্যে ভিন্ন ঘরানার বই পড়া বুদ্ধিমানের কাজ, যা নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তৈরিতে সাহায্য করে।
পড়াকে কোনো চাপ বা বাধ্যতামূলক কাজ হিসেবে না দেখে আনন্দের উৎস হিসেবে গ্রহণ করা উচিত। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময়, হোক সেটা ঘুমানোর আগে বা যাতায়াতের পথে, বই পড়ার জন্য বরাদ্দ রাখা যেতে পারে। মনে রাখতে হবে, নিয়মিত নতুন কিছু শেখার প্রক্রিয়া মস্তিষ্ককে সচল ও প্রাণবন্ত রাখে, যা বার্ধক্যজনিত স্মৃতিভ্রম রোধেও সহায়ক।
রিপোর্টারের নাম 
























