শিশুর মানসিক বিকাশ এবং পড়াশোনায় আগ্রহ ধরে রাখতে একটি আদর্শ পড়ার ঘরের গুরুত্ব অপরিসীম। ঘরের পরিবেশ যদি শান্ত ও গোছানো হয়, তবে শিশুর একাগ্রতা বহুগুণ বেড়ে যায়। পড়ার ঘরের জন্য পর্যাপ্ত আলো-বাতাস চলাচল করে এমন স্থান নির্বাচন করা জরুরি। দিনের বেলা জানালার পাশে পড়ার টেবিল রাখলে প্রাকৃতিক আলো পাওয়া যায়, যা শিশুর চোখের জন্য বেশ আরামদায়ক।
পড়ার ঘরের আসবাবপত্র নির্বাচনেও সচেতন হতে হবে। শিশুর উচ্চতা অনুযায়ী টেবিল ও চেয়ার এমনভাবে নির্বাচন করতে হবে যেন দীর্ঘ সময় বসে থাকলেও তার মেরুদণ্ড সোজা থাকে এবং কোনো শারীরিক অস্বস্তি না হয়। তবে পড়ার ঘরে সোফা বা অতিরিক্ত নরম বিছানা না রাখাই ভালো, কারণ এতে পড়াশোনার বদলে অলসতা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। দেয়ালের রঙের ক্ষেত্রে হালকা নীল বা সবুজ রঙের মতো স্নিগ্ধ রঙ বেছে নেওয়া উচিত, যা শিশুর মনকে শান্ত রাখে।
এছাড়া ঘরকে সুশৃঙ্খল রাখতে বই ও শিক্ষা উপকরণের জন্য পর্যাপ্ত ড্রয়ার বা সেলফের ব্যবস্থা থাকতে হবে। শিশুর সৃজনশীলতা বাড়াতে দেয়ালে মানচিত্র বা তার নিজের আঁকা ছবি টাঙানো যেতে পারে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো পড়ার ঘরে টেলিভিশন বা ট্যাবলেটের মতো ডিজিটাল ডিভাইসের ব্যবহার সীমিত রাখা এবং একটি শব্দহীন নিরিবিলি পরিবেশ নিশ্চিত করা।
রিপোর্টারের নাম 
























