ঢাকা ০৮:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

বিশ্ববাজারে হিলিয়াম সরবরাহে ঘাটতি থাকলেও দেশে সংকট নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক বাজারে হিলিয়াম গ্যাসের সরবরাহ কমে গেলেও বাংলাদেশে বর্তমানে এই গ্যাসের কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। শনিবার দুপুরে রাজধানীর আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে ‘সোসাইটি অব সার্জনস অব বাংলাদেশ’ আয়োজিত ‘সিএমই অন মেডিকেল এথিকস’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে হিলিয়াম গ্যাসের কোনো ঘাটতি না থাকায় হাসপাতালগুলোতে এমআরআই স্ক্যানসহ অন্যান্য জরুরি চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। তিনি আরও জানান, যুদ্ধের প্রভাবে বিদ্যুৎ ও স্বাস্থ্যখাতে যাতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে হিলিয়াম গ্যাসের সরবরাহ প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কমে গেছে। এর ফলে বৈশ্বিকভাবে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এবং চিকিৎসা খাতের অতিপ্রয়োজনীয় এমআরআই মেশিন পরিচালনা ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

টেলিভিশনের পর্দায় আজকের খেলা: মাঠ কাঁপাবে বাংলাদেশ-পাকিস্তান টেস্ট ও আইপিএল

বিশ্ববাজারে হিলিয়াম সরবরাহে ঘাটতি থাকলেও দেশে সংকট নেই: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেট সময় : ০৯:০৬:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

আন্তর্জাতিক বাজারে হিলিয়াম গ্যাসের সরবরাহ কমে গেলেও বাংলাদেশে বর্তমানে এই গ্যাসের কোনো ঘাটতি নেই বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। শনিবার দুপুরে রাজধানীর আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে ‘সোসাইটি অব সার্জনস অব বাংলাদেশ’ আয়োজিত ‘সিএমই অন মেডিকেল এথিকস’ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশে বর্তমানে হিলিয়াম গ্যাসের কোনো ঘাটতি না থাকায় হাসপাতালগুলোতে এমআরআই স্ক্যানসহ অন্যান্য জরুরি চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার কোনো আশঙ্কা নেই। তিনি আরও জানান, যুদ্ধের প্রভাবে বিদ্যুৎ ও স্বাস্থ্যখাতে যাতে কোনো নেতিবাচক প্রভাব না পড়ে, সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে এবং প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে চলমান উত্তেজনার প্রভাবে বিশ্ববাজারে হিলিয়াম গ্যাসের সরবরাহ প্রায় এক-তৃতীয়াংশ কমে গেছে। এর ফলে বৈশ্বিকভাবে সেমিকন্ডাক্টর শিল্প এবং চিকিৎসা খাতের অতিপ্রয়োজনীয় এমআরআই মেশিন পরিচালনা ঝুঁকির মুখে পড়েছে।