বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিষ্ঠান প্রধান ও সহকারী প্রধানের ১২ হাজার ৯৫১টি শূন্য পদে নিয়োগের জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। শনিবার থেকে এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, যা বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) কর্তৃক প্রকাশিত সংশোধিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে।
এনটিআরসিএ’র পরিচালক (পরীক্ষা, মূল্যায়ন ও প্রত্যয়ন) তাসনিম জেবিন বিনতে শেখ স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নতুন এই নিয়োগ প্রক্রিয়া শতভাগ অটোমেশন পদ্ধতিতে সম্পন্ন হবে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের তিনটি অধিদপ্তরের অধীনে এই বিশাল সংখ্যক শূন্য পদে ‘৮ম এনটিআরসিএ নিয়োগ পরীক্ষা- ২০২৬’-এর মাধ্যমে সুপারিশ করা হবে। এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি জারি করা পূর্বের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে।
সংশোধিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ৯ হাজার ৭০৮টি পদ রয়েছে। এর মধ্যে ২ হাজার ৮৮১টি প্রধান শিক্ষক, ৩ হাজার ২৯৬টি সহকারী প্রধান শিক্ষক, ৩৭৫টি অধ্যক্ষ (স্নাতক পাস কলেজ), ৪১৩টি উপাধ্যক্ষ (স্নাতক পাস কলেজ), ৪০৮টি অধ্যক্ষ (উচ্চ মাধ্যমিক কলেজ) এবং ১৫৩টি অধ্যক্ষ (উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়) পদ উল্লেখযোগ্য।
অন্যদিকে, মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে ৩ হাজার ১৩১টি শূন্য পদের মধ্যে ৮৯৯টি সুপার (দাখিল), ১ হাজার ৪টি সহকারী সুপার (দাখিল), ২০২টি অধ্যক্ষ (ফাজিল), ৩৪৩টি উপাধ্যক্ষ (ফাজিল), ২১৯টি অধ্যক্ষ (আলিম) এবং ৩৭৭টি উপাধ্যক্ষ (আলিম) পদ রয়েছে। কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীনে অধ্যক্ষ ও সুপারসহ মোট ১১২টি শূন্য পদে নিয়োগ দেওয়া হবে।
আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা শনিবার থেকে ৪ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। পরীক্ষার ফি বাবদ ৩৫০ টাকা ৫ এপ্রিল রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত জমা দেওয়া যাবে।
নিয়োগের জন্য ১০০ নম্বরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ৮০ নম্বর থাকবে এমসিকিউ পরীক্ষার জন্য, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদের জন্য ১২ নম্বর এবং মৌখিক পরীক্ষার জন্য ৮ নম্বর বরাদ্দ থাকবে। প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে এবং এমসিকিউ পরীক্ষায় পাস নম্বর ৪০ শতাংশ। পরীক্ষার সম্ভাব্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ এপ্রিল।
রিপোর্টারের নাম 

























