ঢাকা ১১:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ঈদগাঁওয়ে ছেলেদের মারধরে বৃদ্ধ পিতার মৃত্যুর অভিযোগ: এলাকায় চাঞ্চল্য

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলেদের মারধরে নুরুল হুদা (৭০) নামে এক বৃদ্ধ পিতার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার ভাদিতলা দরগাহপাড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বজনদের দাবি, টাকার লেনদেন নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে দুই ছেলে ও তাদের স্ত্রীরা বৃদ্ধ বাবাকে বেধড়ক মারধর করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের অন্য সন্তানরা অভিযোগ করেছেন যে, শফি আলম ও আবুল কালাম তাদের শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। স্থানীয়রা অভিযুক্তদের আটকে রাখলেও পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তাদের হেফাজতে না নেওয়ায় এলাকায় ক্ষোভ ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী মহল ঘটনাটিকে ‘স্ট্রোক’ হিসেবে চালিয়ে দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। পুলিশের নির্লিপ্ত ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মারাতের জোড়া গোলে ব্রাদার্সকে হারাল পিডব্লিউডি

ঈদগাঁওয়ে ছেলেদের মারধরে বৃদ্ধ পিতার মৃত্যুর অভিযোগ: এলাকায় চাঞ্চল্য

আপডেট সময় : ১২:৫৪:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে পারিবারিক কলহের জেরে ছেলেদের মারধরে নুরুল হুদা (৭০) নামে এক বৃদ্ধ পিতার মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার ভাদিতলা দরগাহপাড়া এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। নিহতের স্বজনদের দাবি, টাকার লেনদেন নিয়ে বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে দুই ছেলে ও তাদের স্ত্রীরা বৃদ্ধ বাবাকে বেধড়ক মারধর করলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

ঘটনার পর পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের অন্য সন্তানরা অভিযোগ করেছেন যে, শফি আলম ও আবুল কালাম তাদের শ্বশুরবাড়ির লোকজনকে নিয়ে এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন। স্থানীয়রা অভিযুক্তদের আটকে রাখলেও পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে তাদের হেফাজতে না নেওয়ায় এলাকায় ক্ষোভ ও রহস্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ঈদগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানিয়েছেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলেই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, একটি প্রভাবশালী মহল ঘটনাটিকে ‘স্ট্রোক’ হিসেবে চালিয়ে দিয়ে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। পুলিশের নির্লিপ্ত ভূমিকা নিয়ে জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।