ঢাকা ০১:০৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

৫৫ বছরের বঞ্চনার অবসান: বিয়ানীবাজারে করতি খালে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ এমপি এমরানের

স্বাধীনতার পর থেকে বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের করতি খালের উপর সেতু নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের। কিন্তু ৫৫ বছর ধরে বিভিন্ন আশ্বাস সত্ত্বেও তা পূরণ হয়নি। ফলে এই এলাকার ১০ গ্রামের মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছিল। অবশেষে সিলেট-৬ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এলাকাবাসীর এই দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের উদ্যোগ নিয়েছেন।

ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে পারাপার হওয়া এলাকার ১০ গ্রামের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী শনিবার দুপুরে আলীনগর ইউনিয়নের পাতন ও ফুলমলিক গ্রামের মধ্যবর্তী করতি খালের উপর সেতু স্থাপনের স্থান পরিদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রকৌশলীকে সঙ্গে নিয়ে স্থানটি পরিদর্শন করেন। এই সেতুটি নির্মিত হলে বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ – দুটি উপজেলা সদরের সঙ্গে যাতায়াত সহজ হবে এবং ওই ১০ গ্রামের মানুষের জনজীবনের দুর্দশা লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সেতু স্থাপনের জায়গা পরিদর্শনের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে তাদের এই দাবিকে কোনো জনপ্রতিনিধি মূল্যায়ন করেননি, কেবল আশ্বাসেই আটকে ছিল। তাদের ফুলমলিক, ঘাগওয়া, গোবিন্দশ্রী, দেউলগ্রাম, পাতন, চন্দ্রগ্রাম, কটলিপাড়া ও আঙ্গুরাসহ আশপাশের অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষ বর্তমানে একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে করতি খাল পার হয়ে বাজারে যাওয়া-আসা করেন এবং শিশুরা বিদ্যালয়ে যায়। করতি খালের দুই পাশে ছয়টি প্রাথমিক ও তিনটি মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ রয়েছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ভয়ে ভয়ে প্রতিদিন সাঁকো পাড়ি দেয় এবং মাঝে মাঝে নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এছাড়া, অসুস্থ কাউকে হাসপাতালে নেওয়া বা মৃতদেহ গ্রামগুলোর মধ্যে আনা-নেয়া করাও কঠিন ছিল। এবার তাদের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে তারা আশা করছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালি বন্ধের হুমকি দিয়ে ব্ল্যাকমেইল করা যাবে না: ডোনাল্ড ট্রাম্প

৫৫ বছরের বঞ্চনার অবসান: বিয়ানীবাজারে করতি খালে সেতু নির্মাণের উদ্যোগ এমপি এমরানের

আপডেট সময় : ১০:২২:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

স্বাধীনতার পর থেকে বিয়ানীবাজার উপজেলার আলীনগর ইউনিয়নের করতি খালের উপর সেতু নির্মাণের দাবি স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের। কিন্তু ৫৫ বছর ধরে বিভিন্ন আশ্বাস সত্ত্বেও তা পূরণ হয়নি। ফলে এই এলাকার ১০ গ্রামের মানুষ চরম ভোগান্তির শিকার হয়ে আসছিল। অবশেষে সিলেট-৬ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এমরান আহমদ চৌধুরী এলাকাবাসীর এই দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের উদ্যোগ নিয়েছেন।

ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করে পারাপার হওয়া এলাকার ১০ গ্রামের মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এমপি এমরান আহমদ চৌধুরী শনিবার দুপুরে আলীনগর ইউনিয়নের পাতন ও ফুলমলিক গ্রামের মধ্যবর্তী করতি খালের উপর সেতু স্থাপনের স্থান পরিদর্শন করেন। তিনি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) এর বিয়ানীবাজার উপজেলা প্রকৌশলীকে সঙ্গে নিয়ে স্থানটি পরিদর্শন করেন। এই সেতুটি নির্মিত হলে বিয়ানীবাজার ও গোলাপগঞ্জ – দুটি উপজেলা সদরের সঙ্গে যাতায়াত সহজ হবে এবং ওই ১০ গ্রামের মানুষের জনজীবনের দুর্দশা লাঘব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

সেতু স্থাপনের জায়গা পরিদর্শনের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা এমপির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে তাদের এই দাবিকে কোনো জনপ্রতিনিধি মূল্যায়ন করেননি, কেবল আশ্বাসেই আটকে ছিল। তাদের ফুলমলিক, ঘাগওয়া, গোবিন্দশ্রী, দেউলগ্রাম, পাতন, চন্দ্রগ্রাম, কটলিপাড়া ও আঙ্গুরাসহ আশপাশের অন্তত ১০টি গ্রামের মানুষ বর্তমানে একটি ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকো দিয়ে করতি খাল পার হয়ে বাজারে যাওয়া-আসা করেন এবং শিশুরা বিদ্যালয়ে যায়। করতি খালের দুই পাশে ছয়টি প্রাথমিক ও তিনটি মাধ্যমিক স্কুল ও কলেজ রয়েছে। কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ভয়ে ভয়ে প্রতিদিন সাঁকো পাড়ি দেয় এবং মাঝে মাঝে নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনাও ঘটে। এছাড়া, অসুস্থ কাউকে হাসপাতালে নেওয়া বা মৃতদেহ গ্রামগুলোর মধ্যে আনা-নেয়া করাও কঠিন ছিল। এবার তাদের দুর্ভোগ লাঘব হবে বলে তারা আশা করছেন।