ঢাকা ১১:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬

ঝিনাইদহে আগুনে পুড়ল ৪ কৃষকের পানবরজ, ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ১১:৪৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
  • ৪ বার পড়া হয়েছে

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি পানবরজ সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। এতে চারজন কৃষকের প্রায় ৬ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার শুড়ার বাথান মাঠ এলাকার মিয়া বাগান সংলগ্ন একটি পানবরজে এই আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা হলেন তিন ভাই মামুন, মাসুম ও রুহুল এবং প্রতিবেশী এমরান হোসেন। স্থানীয়রা জানান, বিকেলে হঠাৎ একটি বরজে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। বাতাসের তীব্রতা বেশি থাকায় মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের বাগানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসী দীর্ঘ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হলেও ততক্ষণে চারটি বরজের পান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

সর্বস্ব হারানো কৃষক এমরান হোসেন জানান, বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তিনি পানের বরজ করেছিলেন। এখন সব পুড়ে যাওয়ায় ঋণের টাকা পরিশোধের চিন্তায় তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এদিকে হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া হাসান জানান, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। তবে প্রাথমিক আলামতে এটি কোনো নাশকতা নয়, বরং দুর্ঘটনাবশত ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মারাতের জোড়া গোলে ব্রাদার্সকে হারাল পিডব্লিউডি

ঝিনাইদহে আগুনে পুড়ল ৪ কৃষকের পানবরজ, ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

আপডেট সময় : ১১:৪৬:৩৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডু উপজেলায় এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে চারটি পানবরজ সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে। এতে চারজন কৃষকের প্রায় ৬ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার শুড়ার বাথান মাঠ এলাকার মিয়া বাগান সংলগ্ন একটি পানবরজে এই আগুনের সূত্রপাত ঘটে।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা হলেন তিন ভাই মামুন, মাসুম ও রুহুল এবং প্রতিবেশী এমরান হোসেন। স্থানীয়রা জানান, বিকেলে হঠাৎ একটি বরজে আগুন জ্বলতে দেখা যায়। বাতাসের তীব্রতা বেশি থাকায় মুহূর্তের মধ্যেই আগুন আশপাশের বাগানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। গ্রামবাসী দীর্ঘ চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হলেও ততক্ষণে চারটি বরজের পান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

সর্বস্ব হারানো কৃষক এমরান হোসেন জানান, বিভিন্ন এনজিও ও ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে তিনি পানের বরজ করেছিলেন। এখন সব পুড়ে যাওয়ায় ঋণের টাকা পরিশোধের চিন্তায় তিনি দিশেহারা হয়ে পড়েছেন। এদিকে হরিণাকুণ্ডু থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম কিবরিয়া হাসান জানান, অগ্নিকাণ্ডের বিষয়টি পুলিশ তদন্ত করে দেখছে। তবে প্রাথমিক আলামতে এটি কোনো নাশকতা নয়, বরং দুর্ঘটনাবশত ঘটেছে বলে মনে করা হচ্ছে।