ঢাকা ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়া হলো না, মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন মর্জিনা

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • ২ বার পড়া হয়েছে

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন কুষ্টিয়ার বাসিন্দা মর্জিনা খাতুন (৫৫)। ঢাকার মিরপুরে তাঁর মেয়ের বাসায় চিকিৎসার জন্য যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাঁর লাশ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের জুগিয়া রাস্তাপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মর্জিনা খাতুন রাজবাড়ীর পাংশা পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ে বিলিং সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্বামী আবু বকর সিদ্দিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। জানা গেছে, বুধবার চিকিৎসার জন্য ঢাকায় মেয়ের বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে পাংশা থেকে বাসে ওঠেন মর্জিনা খাতুন। পরে দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যায় বাসটি, আর এতেই তাঁর মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর মর্জিনার স্বামী আবু বকর সিদ্দিক জানান, তিনি ঢাকায় মেয়ের বাসায় ছিলেন। তাঁর স্ত্রী অফিসের কাজ শেষ করে বাসে ওঠার সময় একবার কথা বলেছিলেন। এরপর আর যোগাযোগ হয়নি। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে তিনি স্ত্রীর লাশ দেখতে পান। তিনি আরও জানান, মর্জিনার পিত্তথলিতে পাথর ছিল এবং সেই চিকিৎসার জন্যই তিনি ঢাকায় যাচ্ছিলেন। উল্লেখ্য, গত বুধবার দুপুর সোয়া দুইটার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। বাসটিতে প্রায় ৫৬ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গাজায় পানি সরবরাহকারী চালকদের হত্যা: ক্ষোভে ফেটে পড়ল ইউনিসেফ

চিকিৎসার জন্য ঢাকায় যাওয়া হলো না, মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন মর্জিনা

আপডেট সময় : ০৮:৪৭:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন কুষ্টিয়ার বাসিন্দা মর্জিনা খাতুন (৫৫)। ঢাকার মিরপুরে তাঁর মেয়ের বাসায় চিকিৎসার জন্য যাওয়ার পথে এই দুর্ঘটনা ঘটে। পরে তাঁর লাশ উদ্ধার করে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুষ্টিয়া শহরের জুগিয়া রাস্তাপাড়া কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মর্জিনা খাতুন রাজবাড়ীর পাংশা পল্লী বিদ্যুৎ কার্যালয়ে বিলিং সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তাঁর স্বামী আবু বকর সিদ্দিক মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক। জানা গেছে, বুধবার চিকিৎসার জন্য ঢাকায় মেয়ের বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে পাংশা থেকে বাসে ওঠেন মর্জিনা খাতুন। পরে দৌলতদিয়া ঘাটে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যায় বাসটি, আর এতেই তাঁর মৃত্যু হয়।

দুর্ঘটনার পর মর্জিনার স্বামী আবু বকর সিদ্দিক জানান, তিনি ঢাকায় মেয়ের বাসায় ছিলেন। তাঁর স্ত্রী অফিসের কাজ শেষ করে বাসে ওঠার সময় একবার কথা বলেছিলেন। এরপর আর যোগাযোগ হয়নি। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে গিয়ে তিনি স্ত্রীর লাশ দেখতে পান। তিনি আরও জানান, মর্জিনার পিত্তথলিতে পাথর ছিল এবং সেই চিকিৎসার জন্যই তিনি ঢাকায় যাচ্ছিলেন। উল্লেখ্য, গত বুধবার দুপুর সোয়া দুইটার দিকে কুষ্টিয়ার কুমারখালী থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া সৌহার্দ্য পরিবহনের একটি বাস বিকাল সাড়ে পাঁচটার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ঘাটে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পন্টুন থেকে পদ্মা নদীতে পড়ে যায়। বাসটিতে প্রায় ৫৬ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।