ঢাকা ১০:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোরীসহ দুই জনের মৃত্যু

রাজধানীর পশ্চিম রামপুরা ও গাবতলী এলাকায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক কিশোরী ও এক বাস চালক নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।

পশ্চিম রামপুরায়, ১২ বছর বয়সী অনিকা তাহসিন নামের এক কিশোরী প্রাইভেটকারের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছে। সে পিরোজপুরের ইন্দুরকানি উপজেলার প্রত্যাশি গ্রামের মো. সিদ্দিকুর রহমান ও আছিয়া বেগমের মেয়ে। পরিবারের সঙ্গে পূর্ব রামপুরায় ভাড়া বাসায় থাকত সে। ডিআইটি রোড পলাশবাগ মোড়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি প্রাইভেটকার ইউটার্ন নেওয়ার সময় তাকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা গাড়িটি ভাঙচুর করে।

অন্যদিকে, গাবতলী টার্মিনাল এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন মো. জীবন (৪০) নামের এক বাস চালক। তিনি নীলফামারী সদর উপজেলার মো. আব্দুল গফুরের ছেলে। মিরপুরের কাউন্দিয়া এলাকায় থাকতেন এবং অসিম পরিবহনের বাস চালক হিসেবে কাজ করতেন। রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী মোটরসাইকেল তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত ১২টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানিয়েছেন, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘সৌদি আরবে দারুণ ওয়েস্টার্ন ড্রেস পাওয়া যায়’: ওমরাহ সফরের কেনাকাটা নিয়ে মুখ খুললেন মারিয়া মিম

রাজধানীতে পৃথক সড়ক দুর্ঘটনায় কিশোরীসহ দুই জনের মৃত্যু

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর পশ্চিম রামপুরা ও গাবতলী এলাকায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় এক কিশোরী ও এক বাস চালক নিহত হয়েছেন। সোমবার রাতে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে।

পশ্চিম রামপুরায়, ১২ বছর বয়সী অনিকা তাহসিন নামের এক কিশোরী প্রাইভেটকারের ধাক্কায় প্রাণ হারিয়েছে। সে পিরোজপুরের ইন্দুরকানি উপজেলার প্রত্যাশি গ্রামের মো. সিদ্দিকুর রহমান ও আছিয়া বেগমের মেয়ে। পরিবারের সঙ্গে পূর্ব রামপুরায় ভাড়া বাসায় থাকত সে। ডিআইটি রোড পলাশবাগ মোড়ে রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি প্রাইভেটকার ইউটার্ন নেওয়ার সময় তাকে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এই ঘটনার পর উত্তেজিত জনতা গাড়িটি ভাঙচুর করে।

অন্যদিকে, গাবতলী টার্মিনাল এলাকায় একটি মোটরসাইকেলের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন মো. জীবন (৪০) নামের এক বাস চালক। তিনি নীলফামারী সদর উপজেলার মো. আব্দুল গফুরের ছেলে। মিরপুরের কাউন্দিয়া এলাকায় থাকতেন এবং অসিম পরিবহনের বাস চালক হিসেবে কাজ করতেন। রাস্তা পার হওয়ার সময় একটি দ্রুতগামী মোটরসাইকেল তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়, পরে সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। রাত ১২টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানিয়েছেন, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢামেক মর্গে রাখা হয়েছে।