ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩২ করার অধ্যাদেশে সংসদীয় বিশেষ কমিটির ঐকমত্য

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর করার অধ্যাদেশের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, বিশেষ কমিটির বৈঠকে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং এর মধ্যে বেশ কিছু বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে কমিটি। ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসেবে প্রথম দিনের বৈঠকে ২৭টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়, যার মধ্যে পাঁচটি ছাড়া বাকি সব অধ্যাদেশের অধিকাংশ বিষয়ে কমিটি একমত হয়েছে।

রফিকুল ইসলাম খান আরও জানান, ‘জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষার বিষয়ে’ প্রস্তাবিত অধ্যাদেশ এবং অন্যান্য কিছু অধ্যাদেশের ব্যাপারেও কমিটি একমত হয়েছে। বৈঠকে আলোচিত বেশিরভাগ অধ্যাদেশ সুপারিশ আকারে সংসদে উত্থাপনের বিষয়েও কমিটি একমত হয়েছে।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধনী) অধ্যাদেশ-২০২৬ এবং পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫ নিয়ে আরও আলোচনার জন্য রাখা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রথম দিনের বৈঠকে সাংবিধানিক বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

সংবিধান ও ‘জুলাই আকাঙ্ক্ষা’র মধ্যে কোনটি প্রাধান্য পাবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা জুলাই আকাঙ্ক্ষাকে অবশ্যই প্রাধান্য দেব। কারণ, জুলাই বিপ্লব না হলে আমরা সংসদ সদস্য হতে পারতাম না, আজকে সংসদ ভবনে আসতে পারতাম না। এটাকে আমরা অবশ্যই প্রায়োরিটি (প্রাধান্য) দেব।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধান তো মানুষের জন্য, সংবিধানের জন্য মানুষ না। সংবিধান তো সব সময় পরিবর্তন হয়েছে। জুলাই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তো সংবিধানের সঙ্গে বেশি বিরোধ বাধার কথা না।’

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তান ইস্যুতে শীতল সম্পর্ক কাটিয়ে তুরস্কের সঙ্গে ভারতের নতুন অধ্যায়

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়স ৩২ করার অধ্যাদেশে সংসদীয় বিশেষ কমিটির ঐকমত্য

আপডেট সময় : ০৮:২২:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা ৩২ বছর করার অধ্যাদেশের সঙ্গে একমত পোষণ করেছে সংসদীয় বিশেষ কমিটি। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বিশেষ কমিটির বৈঠক শেষে জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় হুইপ ও জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, বিশেষ কমিটির বৈঠকে মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং এর মধ্যে বেশ কিছু বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছেছে কমিটি। ধারাবাহিক আলোচনার অংশ হিসেবে প্রথম দিনের বৈঠকে ২৭টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়, যার মধ্যে পাঁচটি ছাড়া বাকি সব অধ্যাদেশের অধিকাংশ বিষয়ে কমিটি একমত হয়েছে।

রফিকুল ইসলাম খান আরও জানান, ‘জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষার বিষয়ে’ প্রস্তাবিত অধ্যাদেশ এবং অন্যান্য কিছু অধ্যাদেশের ব্যাপারেও কমিটি একমত হয়েছে। বৈঠকে আলোচিত বেশিরভাগ অধ্যাদেশ সুপারিশ আকারে সংসদে উত্থাপনের বিষয়েও কমিটি একমত হয়েছে।

গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার (সংশোধনী) অধ্যাদেশ-২০২৬ এবং পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫ নিয়ে আরও আলোচনার জন্য রাখা হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, প্রথম দিনের বৈঠকে সাংবিধানিক বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

সংবিধান ও ‘জুলাই আকাঙ্ক্ষা’র মধ্যে কোনটি প্রাধান্য পাবে—এমন প্রশ্নের উত্তরে রফিকুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা জুলাই আকাঙ্ক্ষাকে অবশ্যই প্রাধান্য দেব। কারণ, জুলাই বিপ্লব না হলে আমরা সংসদ সদস্য হতে পারতাম না, আজকে সংসদ ভবনে আসতে পারতাম না। এটাকে আমরা অবশ্যই প্রায়োরিটি (প্রাধান্য) দেব।’ তিনি আরও বলেন, ‘সংবিধান তো মানুষের জন্য, সংবিধানের জন্য মানুষ না। সংবিধান তো সব সময় পরিবর্তন হয়েছে। জুলাই আকাঙ্ক্ষা নিয়ে তো সংবিধানের সঙ্গে বেশি বিরোধ বাধার কথা না।’