ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

মালয়েশিয়াসহ বন্ধ শ্রমবাজার খুলতে এবং অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণে সরকারি উদ্যোগ

মালয়েশিয়াসহ বন্ধ হয়ে যাওয়া শ্রমবাজারগুলো পুনরায় চালু এবং অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণের জন্য সরকার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় মালয়েশিয়াসহ বন্ধ থাকা শ্রমবাজারগুলো দ্রুত চালু করার পাশাপাশি থাইল্যান্ডসহ নতুন বাজারে জনশক্তি রপ্তানির জটিলতা দূর করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে, কিছু দেশে নির্দিষ্ট কোম্পানির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের কারণে অভিবাসন ব্যয় অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় সরকার একটি নির্ধারিত ব্যয় কাঠামো প্রণয়নের কাজ করছে।

প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক মন্তব্য করেন যে, নির্দিষ্ট ব্যয় নির্ধারণ করা হলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হবে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত ইতিবাচক অগ্রগতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মী পাঠানো সম্ভব হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি বাংলাদেশের শ্রমবাজারে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না জানিয়ে তিনি বলেন, বরং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনে বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদা বাড়তে পারে। এজন্য কর্মীদের ভাষা দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তান ইস্যুতে শীতল সম্পর্ক কাটিয়ে তুরস্কের সঙ্গে ভারতের নতুন অধ্যায়

মালয়েশিয়াসহ বন্ধ শ্রমবাজার খুলতে এবং অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণে সরকারি উদ্যোগ

আপডেট সময় : ০৮:২২:০৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

মালয়েশিয়াসহ বন্ধ হয়ে যাওয়া শ্রমবাজারগুলো পুনরায় চালু এবং অভিবাসন ব্যয় নির্ধারণের জন্য সরকার নতুন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সচিবালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় মালয়েশিয়াসহ বন্ধ থাকা শ্রমবাজারগুলো দ্রুত চালু করার পাশাপাশি থাইল্যান্ডসহ নতুন বাজারে জনশক্তি রপ্তানির জটিলতা দূর করার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে, কিছু দেশে নির্দিষ্ট কোম্পানির একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণের কারণে অভিবাসন ব্যয় অতিরিক্ত বেড়ে যাওয়ায় সরকার একটি নির্ধারিত ব্যয় কাঠামো প্রণয়নের কাজ করছে।

প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক মন্তব্য করেন যে, নির্দিষ্ট ব্যয় নির্ধারণ করা হলে অতিরিক্ত অর্থ আদায় নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট ভাঙা সম্ভব হবে। মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার প্রসঙ্গে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সরকারি পর্যায়ে আলোচনা চলছে এবং দ্রুত ইতিবাচক অগ্রগতি আসবে বলে আশা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক কর্মী পাঠানো সম্ভব হবে।

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান পরিস্থিতি বাংলাদেশের শ্রমবাজারে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে না জানিয়ে তিনি বলেন, বরং যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনে বাংলাদেশি কর্মীদের চাহিদা বাড়তে পারে। এজন্য কর্মীদের ভাষা দক্ষতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।