ঢাকা ০৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মধ্যেও রেমিট্যান্সে উল্লম্ফন: ২৩ দিনে ২৮২ কোটি ডলার

মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে আশাব্যঞ্জক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। চলতি মাসের প্রথম ২৩ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২৮২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭.৪০ শতাংশ বেশি। গত বছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৬৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের একটি প্রধান উৎস। সেখানে চলমান অস্থিরতার কারণে প্রবাসীরা কিছুটা শঙ্কিত থাকলেও, ঈদের আনন্দ ও জাকাতের অর্থ পাঠানোর কারণে এই সময়ে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পেয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাস থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৫৩৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯.৮০ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের এই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১১২ কোটি ডলার।

বিগত অর্থবছরে দেশে রেকর্ড পরিমাণ ৩ হাজার ৩৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, এবং সেই ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অর্থ পাচার রোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর পদক্ষেপ এবং ঋণের নামে অর্থ আত্মসাৎ প্রতিরোধের উদ্যোগের ফলে হুন্ডি প্রবণতা কমেছে এবং বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তান ইস্যুতে শীতল সম্পর্ক কাটিয়ে তুরস্কের সঙ্গে ভারতের নতুন অধ্যায়

মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতার মধ্যেও রেমিট্যান্সে উল্লম্ফন: ২৩ দিনে ২৮২ কোটি ডলার

আপডেট সময় : ০৭:১৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে দেশে রেমিট্যান্স প্রবাহে আশাব্যঞ্জক প্রবৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। চলতি মাসের প্রথম ২৩ দিনে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২৮২ কোটি ৮০ লাখ ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৭.৪০ শতাংশ বেশি। গত বছরের এই সময়ে রেমিট্যান্স এসেছিল ২৬৩ কোটি ৩০ লাখ ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, মধ্যপ্রাচ্য বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের একটি প্রধান উৎস। সেখানে চলমান অস্থিরতার কারণে প্রবাসীরা কিছুটা শঙ্কিত থাকলেও, ঈদের আনন্দ ও জাকাতের অর্থ পাঠানোর কারণে এই সময়ে প্রবাসী আয় বৃদ্ধি পেয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের জুলাই মাস থেকে ২৩ মার্চ পর্যন্ত মোট ২ হাজার ৫৩৮ কোটি ডলার রেমিট্যান্স দেশে এসেছে। এটি গত অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৯.৮০ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরের এই সময়ে রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১১২ কোটি ডলার।

বিগত অর্থবছরে দেশে রেকর্ড পরিমাণ ৩ হাজার ৩৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স এসেছিল, এবং সেই ধারা এখনো অব্যাহত রয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, অর্থ পাচার রোধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কঠোর পদক্ষেপ এবং ঋণের নামে অর্থ আত্মসাৎ প্রতিরোধের উদ্যোগের ফলে হুন্ডি প্রবণতা কমেছে এবং বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স আসার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে।