বিশ্বজুড়ে ইরান যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে বর্ধিত ব্যয় মেটাতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) থেকে ঋণ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করছে বাংলাদেশ সরকার। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, ওয়াশিংটন ডিসিতে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মঙ্গলবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) এশিয়া ও প্যাসিফিক অঞ্চলের পরিচালক কৃষ্ণ শ্রীনিবাসনের সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন। এর আগে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন শ্রীনিবাসন।
অর্থমন্ত্রী বলেন, ইরান যুদ্ধের কারণে উদ্ভূত পরিস্থিতি বাংলাদেশের অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এই সংকট মোকাবিলায় ব্যয় সংকোচনসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করা হচ্ছে।
আইএমএফের অর্থ ছাড় সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী অর্থবছরের বাজেট ঘোষণার আগেই আইএমএফের ষষ্ঠ ও সপ্তম কিস্তির ১৮৬ কোটি ডলার ছাড়ের সম্ভাবনা কম। সংস্থাটি জুলাই মাসে পর্যালোচনার পরই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে।
তিনি আরও বলেন, অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং উন্নত ভবিষ্যতের জন্য বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের উপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এজন্য প্রয়োজনীয় সংস্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিচ্ছে।
বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে ব্যবসা-বাণিজ্যের পরিবেশ সহজ করা এবং অপ্রয়োজনীয় ব্যয় কমানোর মতো নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপের প্রতিফলন আগামী বাজেটে দেখা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সংকট থাকা সত্ত্বেও সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে আসন্ন ঈদে পরিবহন সংকট বা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি পায়নি বলে উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী। তিনি এ পরিস্থিতিতে সকল নাগরিককে সংযমী ও সহানুভূতিশীল হওয়ার আহ্বান জানান।
রিপোর্টারের নাম 
























