ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

ভৈরবে পূর্বশত্রুতার জেরে কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পূর্বশত্রুতার নৃশংস বলি হয়েছেন ইমান খান (১৭) নামে এক কিশোর। গত সোমবার রাতে উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত ইমান ওই গ্রামের ইসা মিয়ার ছেলে এবং পেশায় একজন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে মোবাইল রিচার্জ কার্ড কিনতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন ইমান। পথে ওত পেতে থাকা একদল সশস্ত্র যুবক তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের উপুর্যপুরি আঘাতে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতিকালে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, লুন্দিয়া গ্রামের ‘পাগলা বাড়ি’ ও ‘শেখ বাড়ি’র মধ্যে দীর্ঘ সাত-আট বছর ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এই দুই পক্ষের পুরনো কলহের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

চুক্তি না মানলে ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সেতু ধ্বংসের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

ভৈরবে পূর্বশত্রুতার জেরে কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা

আপডেট সময় : ১২:১৯:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে পূর্বশত্রুতার নৃশংস বলি হয়েছেন ইমান খান (১৭) নামে এক কিশোর। গত সোমবার রাতে উপজেলার আগানগর ইউনিয়নের লুন্দিয়া গ্রামে এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত ইমান ওই গ্রামের ইসা মিয়ার ছেলে এবং পেশায় একজন ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল চালক ছিলেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে মোবাইল রিচার্জ কার্ড কিনতে বাড়ি থেকে বের হয়েছিলেন ইমান। পথে ওত পেতে থাকা একদল সশস্ত্র যুবক তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্রের উপুর্যপুরি আঘাতে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায় হামলাকারীরা। পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে অবস্থার অবনতি হলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার প্রস্তুতিকালে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে তার মৃত্যু হয়।

গ্রামবাসী সূত্রে জানা গেছে, লুন্দিয়া গ্রামের ‘পাগলা বাড়ি’ ও ‘শেখ বাড়ি’র মধ্যে দীর্ঘ সাত-আট বছর ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এই দুই পক্ষের পুরনো কলহের জেরেই এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুলিশ খবর পেয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়েছে। এই ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।