ঢাকা ১০:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

পিরোজপুরে ডিবি হেফাজতে অমানবিক নির্যাতন: আসকের তীব্র নিন্দা ও বিচার দাবি

পিরোজপুরে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যদের হাতে পুলিশ মেসের তত্ত্বাবধায়ক মো. ইউনুস ফকিরের ওপর সংঘটিত নৃশংস নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। রবিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি এই প্রতিবাদ জানায়।

অভিযোগ উঠেছে, পিরোজপুর জেলা ডিবি পুলিশের ওসির টাকা চুরির সন্দেহে ইউনুস ফকিরকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে দফায় দফায় মারধর, বৈদ্যুতিক শক প্রদান এবং চরম অমানবিক আচরণ করা হয়। এমনকি তার পরিবারের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের জন্য চাপ প্রয়োগের অভিযোগও পাওয়া গেছে। আসক মনে করে, এই ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন কেবল মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনই নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার এক ভয়াবহ অপপ্রয়োগ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১, ৩২ এবং ৩৫(৫) অনুচ্ছেদে নাগরিকের জীবন, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং নির্যাতনমুক্ত থাকার অধিকার সুস্পষ্টভাবে সংরক্ষিত। একই সঙ্গে জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ যে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার করেছে, এই ঘটনা তারও পরিপন্থী। আসক মনে করে, এ ধরনের বর্বরতা দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও জবাবদিহিতার ঘাটতিরই প্রতিফলন। সংস্থাটি অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘ট্রিগারে আঙুল রেখে প্রস্তুত সেনারা’, শত্রুকে কড়া হুঁশিয়ারি ইরানের সেনাপ্রধানের

পিরোজপুরে ডিবি হেফাজতে অমানবিক নির্যাতন: আসকের তীব্র নিন্দা ও বিচার দাবি

আপডেট সময় : ০৮:৩১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

পিরোজপুরে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্যদের হাতে পুলিশ মেসের তত্ত্বাবধায়ক মো. ইউনুস ফকিরের ওপর সংঘটিত নৃশংস নির্যাতনের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। রবিবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি এই প্রতিবাদ জানায়।

অভিযোগ উঠেছে, পিরোজপুর জেলা ডিবি পুলিশের ওসির টাকা চুরির সন্দেহে ইউনুস ফকিরকে আটক করে ডিবি কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাকে দফায় দফায় মারধর, বৈদ্যুতিক শক প্রদান এবং চরম অমানবিক আচরণ করা হয়। এমনকি তার পরিবারের কাছ থেকে অর্থ আদায়ের জন্য চাপ প্রয়োগের অভিযোগও পাওয়া গেছে। আসক মনে করে, এই ধরনের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন কেবল মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘনই নয়, বরং এটি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার এক ভয়াবহ অপপ্রয়োগ।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১, ৩২ এবং ৩৫(৫) অনুচ্ছেদে নাগরিকের জীবন, ব্যক্তিস্বাধীনতা এবং নির্যাতনমুক্ত থাকার অধিকার সুস্পষ্টভাবে সংরক্ষিত। একই সঙ্গে জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী কনভেনশনের স্বাক্ষরকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশ যে আন্তর্জাতিক অঙ্গীকার করেছে, এই ঘটনা তারও পরিপন্থী। আসক মনে করে, এ ধরনের বর্বরতা দীর্ঘদিনের বিচারহীনতার সংস্কৃতি ও জবাবদিহিতার ঘাটতিরই প্রতিফলন। সংস্থাটি অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ী পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।