ইরান ও পশ্চিমা দেশগুলোর মধ্যকার উত্তেজনার জেরে হরমুজ প্রণালিতে অচলাবস্থা সৃষ্টি হওয়ায় বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের সরবরাহ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর এই সংকটের প্রভাব কমাতে অনেক দেশ তাদের কৌশলগত তেল মজুদ (এসপিআর) থেকে তেল ছাড়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছে। উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল ও এলএনজি সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে সম্পন্ন হয়।
সাম্প্রতিক সংঘাতের জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গেছে, যা যুদ্ধের আগে ছিল মাত্র ৬৫ ডলার। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সদস্য দেশগুলো তাদের জরুরি ভাণ্ডার থেকে রেকর্ড ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে। এটি সংস্থাটির ইতিহাসে এ পর্যন্ত সবচেয়ে বড় মজুদ ছাড়ের ঘটনা।
কৌশলগত তেল মজুদ হলো মূলত কোনো দেশের সরকারের সংরক্ষিত অপরিশোধিত তেলের ভাণ্ডার, যা কেবল যুদ্ধ বা জরুরি অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে ব্যবহারের জন্য রাখা হয়। বর্তমানে আইইএ-র সদস্য দেশগুলোর কাছে ১.২ বিলিয়ন ব্যারেলের বেশি সরকারি মজুদ রয়েছে। এছাড়া আইইএ-র সদস্য না হওয়া সত্ত্বেও চীন বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম কৌশলগত তেলের মজুদ গড়ে তুলেছে, যা বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 
























