ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

সাইপ্রাসে ব্রিটিশ ঘাঁটির সুরক্ষায় মোতায়েন করা হলো শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ ‘এইচএমএস ড্রাগন’

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০৪:০৩:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬
  • ৮ বার পড়া হয়েছে

পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মুখে সাইপ্রাসে অবস্থিত নিজেদের সামরিক ঘাঁটি রক্ষায় শক্তিশালী ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ ‘এইচএমএস ড্রাগন’ মোতায়েন করেছে যুক্তরাজ্য। সম্প্রতি ইরান-নির্মিত ড্রোন হামলার প্রেক্ষাপটে সাইপ্রাসের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করতে এই ডেস্ট্রয়ারটি সেখানে পৌঁছেছে।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ১১ মার্চ যাত্রা শুরু করা এই যুদ্ধজাহাজটি সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটির নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করবে। পাশাপাশি রয়্যাল এয়ার ফোর্সের অত্যাধুনিক টাইফুন এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানগুলো জর্ডান, কাতার ও বাহরাইনের আকাশসীমায় রাতভর প্রতিরক্ষামূলক অভিযান পরিচালনা করছে।

আঞ্চলিক অস্থিরতা এবং সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য ওই অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করছে। এই পদক্ষেপ মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব থেকে নিজেদের কৌশলগত অবস্থানগুলো নিরাপদ রাখার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ অর্থনীতির তালিকা থেকে ছিটকে গেল ভারত

সাইপ্রাসে ব্রিটিশ ঘাঁটির সুরক্ষায় মোতায়েন করা হলো শক্তিশালী যুদ্ধজাহাজ ‘এইচএমএস ড্রাগন’

আপডেট সময় : ০৪:০৩:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ ২০২৬

পূর্ব ভূমধ্যসাগরে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মুখে সাইপ্রাসে অবস্থিত নিজেদের সামরিক ঘাঁটি রক্ষায় শক্তিশালী ব্রিটিশ যুদ্ধজাহাজ ‘এইচএমএস ড্রাগন’ মোতায়েন করেছে যুক্তরাজ্য। সম্প্রতি ইরান-নির্মিত ড্রোন হামলার প্রেক্ষাপটে সাইপ্রাসের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও সুসংহত করতে এই ডেস্ট্রয়ারটি সেখানে পৌঁছেছে।

যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, গত ১১ মার্চ যাত্রা শুরু করা এই যুদ্ধজাহাজটি সাইপ্রাসে ব্রিটিশ বিমানঘাঁটির নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করবে। পাশাপাশি রয়্যাল এয়ার ফোর্সের অত্যাধুনিক টাইফুন এবং এফ-৩৫ যুদ্ধবিমানগুলো জর্ডান, কাতার ও বাহরাইনের আকাশসীমায় রাতভর প্রতিরক্ষামূলক অভিযান পরিচালনা করছে।

আঞ্চলিক অস্থিরতা এবং সম্ভাব্য হামলা মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য ওই অঞ্চলে তাদের সামরিক উপস্থিতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করছে। এই পদক্ষেপ মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রভাব থেকে নিজেদের কৌশলগত অবস্থানগুলো নিরাপদ রাখার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।