ঢাকা ০৪:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমবে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত হ্রাস পাবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার কারণে বর্তমানে তেলের বাজার অস্থিতিশীল এবং হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে পণ্য পরিবহন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প একটি সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, যদিও তিনি কোনো কিছুর শতভাগ নিশ্চয়তা দেননি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, যুদ্ধাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা চলছে। এই আলোচনার প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বর্জন করা। ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন যে, তিনি ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে আগ্রহী যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যেকোনো ধরনের সমঝোতা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারকে স্থিতিশীল করতে সহায়ক হবে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলে সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত হবে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে তেলের মূল্যের ওপর। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণে এই সম্ভাব্য চুক্তিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বের শীর্ষ পাঁচ অর্থনীতির তালিকা থেকে ছিটকে গেল ভারত

ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমবে: ডোনাল্ড ট্রাম্প

আপডেট সময় : ১০:৪৮:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসনে কোনো চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম দ্রুত হ্রাস পাবে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধাবস্থার কারণে বর্তমানে তেলের বাজার অস্থিতিশীল এবং হরমুজ প্রণালির মতো গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে পণ্য পরিবহন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে ট্রাম্প একটি সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন, যদিও তিনি কোনো কিছুর শতভাগ নিশ্চয়তা দেননি।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জানান, যুদ্ধাবস্থা নিরসনের লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যে বর্তমানে ১৫টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা চলছে। এই আলোচনার প্রধান শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি বর্জন করা। ট্রাম্প আরও উল্লেখ করেন যে, তিনি ইরানের বর্তমান শাসনব্যবস্থায় একটি ইতিবাচক পরিবর্তন দেখতে আগ্রহী যা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।

বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যেকোনো ধরনের সমঝোতা আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারকে স্থিতিশীল করতে সহায়ক হবে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক হলে সরবরাহ ব্যবস্থা উন্নত হবে, যার সরাসরি প্রভাব পড়বে তেলের মূল্যের ওপর। বিশ্বজুড়ে জ্বালানি তেলের ক্রমবর্ধমান দাম নিয়ন্ত্রণে এই সম্ভাব্য চুক্তিটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।