ঢাকা ১০:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬

মানবিক সমাজ গঠনে স্বেচ্ছাসেবীদের এগিয়ে আসার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

রাজনীতি ও জনসেবার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত আর্তমানবতার কল্যাণ সাধন। রাস্তাঘাট বা ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের চেয়েও মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো অনেক বেশি মহৎ কাজ। নেত্রকোনার কলমাকান্দায় এক স্বেচ্ছাসেবী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের সবার মৌলিক পরিচয় এক এবং সবার রক্তের রং লাল।

কলমাকান্দা যুব রক্তদান ফাউন্ডেশন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে কায়সার কামাল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি নিয়মিত রক্তদান ও বিভিন্ন সেবামূলক সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই সংগঠনের মানবিক তৎপরতা দেখে তিনি মুগ্ধতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে সংগঠনটির যেকোনো শুভ উদ্যোগে ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিকভাবে পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার করেন। একইসাথে স্থানীয় প্রশাসনকেও এই তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতার নির্দেশ দেন তিনি।

একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, কে কোন রাজনৈতিক দলের অনুসারী তা বিবেচ্য নয়, বরং মানুষের সেবায় কারা এগিয়ে আসছে সেটিই বড় পরিচয়। তিনি তরুণদের নিয়মিত রক্তদানের পাশাপাশি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও চক্ষু শিবিরের মতো জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও নবীনদের উদ্দীপনাকে কাজে লাগিয়ে একটি মানবিক সমাজ বিনির্মাণের ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি তেলের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি: জনজীবনে চরম দুর্ভোগের আশঙ্কা জামায়াতের

মানবিক সমাজ গঠনে স্বেচ্ছাসেবীদের এগিয়ে আসার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

আপডেট সময় : ১০:৪৭:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

রাজনীতি ও জনসেবার মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত আর্তমানবতার কল্যাণ সাধন। রাস্তাঘাট বা ভৌত অবকাঠামো নির্মাণের চেয়েও মানুষের বিপদে পাশে দাঁড়ানো অনেক বেশি মহৎ কাজ। নেত্রকোনার কলমাকান্দায় এক স্বেচ্ছাসেবী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের সবার মৌলিক পরিচয় এক এবং সবার রক্তের রং লাল।

কলমাকান্দা যুব রক্তদান ফাউন্ডেশন আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে নিজের ছাত্রজীবনের স্মৃতিচারণ করে কায়সার কামাল বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তিনি নিয়মিত রক্তদান ও বিভিন্ন সেবামূলক সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে এই সংগঠনের মানবিক তৎপরতা দেখে তিনি মুগ্ধতা প্রকাশ করেন এবং ভবিষ্যতে সংগঠনটির যেকোনো শুভ উদ্যোগে ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিকভাবে পাশে থাকার দৃঢ় অঙ্গীকার করেন। একইসাথে স্থানীয় প্রশাসনকেও এই তরুণ স্বেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতার নির্দেশ দেন তিনি।

একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক ও অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ডেপুটি স্পিকার বলেন, কে কোন রাজনৈতিক দলের অনুসারী তা বিবেচ্য নয়, বরং মানুষের সেবায় কারা এগিয়ে আসছে সেটিই বড় পরিচয়। তিনি তরুণদের নিয়মিত রক্তদানের পাশাপাশি ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও চক্ষু শিবিরের মতো জনকল্যাণমূলক কার্যক্রম সম্প্রসারণের আহ্বান জানান। প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও নবীনদের উদ্দীপনাকে কাজে লাগিয়ে একটি মানবিক সমাজ বিনির্মাণের ওপর তিনি বিশেষ জোর দেন।