দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (হাবিপ্রবি) ছাত্রদলের দুই গ্রুপের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এক নারী শিক্ষার্থীর সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়াকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১২ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল কর্মী সুজন ইসলামের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার স্ক্রিনশট ছড়িয়ে পড়লে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান হলের ছাত্রদল নেতা অর্ণবের অনুসারীরা সুজনকে হল থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। এতে বাধা দেন শহীদ আবরার ফাহাদ হলের ছাত্রদল নেতা মেহেদী বাবুর অনুসারীরা। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
তবে অভিযুক্ত সুজন ইসলাম এই অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছেন, তাকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া স্ক্রিনশট তৈরি করা হয়েছে। এই বিষয়ে তিনি থানায় সাধারণ ডায়েরিও করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. নওশের ওয়ান জানিয়েছেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ক্যাম্পাসের পরিস্থিতি বর্তমানে থমথমে রয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















