ঢাকা ০২:২৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ঈদের ছুটিতে সাঘাটার আলাই-বাঙালি নদীর ধারে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়

ঈদের ছুটিতে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার আলাই-বাঙালি নদীর ধারে সৌন্দর্য পিপাসুদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের দিন থেকে শুরু করে ছুটির তৃতীয় দিন পর্যন্ত ভ্রমণপিপাসুদের আনাগোনা কমেনি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়ানতলা ব্রিজ, মজিদের ঘাট, মহিমাগঞ্জ রেল স্টেশনের পাশের এলাকাসহ বাঙালি নদীর দুই তীরেই নারী-পুরুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে।

শহুরে কোলাহল থেকে দূরে সবুজ শ্যামল ও নির্ভেজাল প্রকৃতি উপভোগ করতে অনেকেই ছুটে এসেছেন বাঙালি নদীর তীরে। গ্রামের ছায়াঘেরা পথ এবং প্রকৃতির মেলবন্ধন এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। জেলার অন্য কোথাও তেমন বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় মফস্বলের পাশাপাশি শহরের লোকজনও এখানে ভিড় করছেন।

ইট-পাথরের শহরে বেড়ে ওঠা শিশুদের মানসিক বিকাশ এবং নির্মল শ্বাস-প্রশ্বাস নিশ্চিত করতে অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের নিয়ে এখানে আসছেন। স্থানীয়দের উদ্যোগে দর্শনার্থীদের বসার জন্য খড়ের মিনি রেস্টুরেন্ট এবং শেড নির্মাণ করা হয়েছে, যা এলাকার সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। আগত দর্শনার্থীরা এখানকার পরিবেশের প্রশংসা করেছেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জানিয়েছেন যে, জেলায় ভালো বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় মানুষ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এখানে আসছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় যুবশক্তির ঢাকা মহানগরের চার ইউনিটে নতুন কমিটি ঘোষণা

ঈদের ছুটিতে সাঘাটার আলাই-বাঙালি নদীর ধারে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড়

আপডেট সময় : ০৪:৫৬:০৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ মার্চ ২০২৬

ঈদের ছুটিতে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার আলাই-বাঙালি নদীর ধারে সৌন্দর্য পিপাসুদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। ঈদের দিন থেকে শুরু করে ছুটির তৃতীয় দিন পর্যন্ত ভ্রমণপিপাসুদের আনাগোনা কমেনি। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত দেওয়ানতলা ব্রিজ, মজিদের ঘাট, মহিমাগঞ্জ রেল স্টেশনের পাশের এলাকাসহ বাঙালি নদীর দুই তীরেই নারী-পুরুষের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠেছে।

শহুরে কোলাহল থেকে দূরে সবুজ শ্যামল ও নির্ভেজাল প্রকৃতি উপভোগ করতে অনেকেই ছুটে এসেছেন বাঙালি নদীর তীরে। গ্রামের ছায়াঘেরা পথ এবং প্রকৃতির মেলবন্ধন এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। জেলার অন্য কোথাও তেমন বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় মফস্বলের পাশাপাশি শহরের লোকজনও এখানে ভিড় করছেন।

ইট-পাথরের শহরে বেড়ে ওঠা শিশুদের মানসিক বিকাশ এবং নির্মল শ্বাস-প্রশ্বাস নিশ্চিত করতে অভিভাবকরাও তাদের সন্তানদের নিয়ে এখানে আসছেন। স্থানীয়দের উদ্যোগে দর্শনার্থীদের বসার জন্য খড়ের মিনি রেস্টুরেন্ট এবং শেড নির্মাণ করা হয়েছে, যা এলাকার সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে তুলেছে। আগত দর্শনার্থীরা এখানকার পরিবেশের প্রশংসা করেছেন এবং স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জানিয়েছেন যে, জেলায় ভালো বিনোদন কেন্দ্র না থাকায় মানুষ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এখানে আসছে।