ঢাকা ০৩:৪৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

হরমুজ প্রণালিতে ইরানি জাহাজ জব্দের দাবি ট্রাম্পের

ওমান উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে একটি ইরানি জাহাজ জব্দ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, মার্কিন নৌবাহিনীর গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস স্প্রুয়ান্স’ ওমান উপসাগরে ‘তুসকা’ নামের ওই জাহাজটিকে আটকে দেয়।

ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, জাহাজটিকে থামার জন্য বারবার সতর্ক করা হলেও ইরানি ক্রুরা তা উপেক্ষা করে। পরবর্তীতে মার্কিন নৌবাহিনী জাহাজটির ইঞ্জিন রুমে আঘাত করে সেটিকে অচল করে দেয় এবং বর্তমানে মার্কিন মেরিন সদস্যরা জাহাজটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও উল্লেখ করেন যে, ‘তুসকা’ জাহাজটি আগে থেকেই অবৈধ কর্মকাণ্ডের দায়ে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ছিল। বর্তমানে জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে রয়েছে এবং এতে কী ধরনের মালামাল রয়েছে তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। তবে এই ঘটনার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মূল্যবৃদ্ধির পর বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়াচ্ছে বিপিসি

হরমুজ প্রণালিতে ইরানি জাহাজ জব্দের দাবি ট্রাম্পের

আপডেট সময় : ০২:০৮:৫১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ওমান উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি এলাকায় যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধ ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টাকালে একটি ইরানি জাহাজ জব্দ করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, মার্কিন নৌবাহিনীর গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘ইউএসএস স্প্রুয়ান্স’ ওমান উপসাগরে ‘তুসকা’ নামের ওই জাহাজটিকে আটকে দেয়।

ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, জাহাজটিকে থামার জন্য বারবার সতর্ক করা হলেও ইরানি ক্রুরা তা উপেক্ষা করে। পরবর্তীতে মার্কিন নৌবাহিনী জাহাজটির ইঞ্জিন রুমে আঘাত করে সেটিকে অচল করে দেয় এবং বর্তমানে মার্কিন মেরিন সদস্যরা জাহাজটির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও উল্লেখ করেন যে, ‘তুসকা’ জাহাজটি আগে থেকেই অবৈধ কর্মকাণ্ডের দায়ে মার্কিন ট্রেজারি বিভাগের নিষেধাজ্ঞার তালিকায় ছিল। বর্তমানে জাহাজটি যুক্তরাষ্ট্রের হেফাজতে রয়েছে এবং এতে কী ধরনের মালামাল রয়েছে তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। তবে এই ঘটনার বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।