জ্যোতির্বিজ্ঞান বা হিজরি ক্যালেন্ডারের ওপর ভিত্তি করে আগাম তারিখ নির্ধারণ করে রোজা ও ঈদ পালন করা ইসলামি শরিয়ত অনুযায়ী বৈধ নয় বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন বিশিষ্ট আলেমরা। বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার আজিমপুর ছাপড়া জামে মসজিদ মিলনায়তনে ‘দাওয়াতুস সুন্নাহ বাংলাদেশ’ আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এ বিষয়ে মুসলমানদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন দাওয়াতুস সুন্নাহ বাংলাদেশের পরিচালক মুফতি জুবায়ের বিন আব্দুল কুদ্দুস। তিনি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, পবিত্র কোরআন ও সুন্নাহর স্পষ্ট নির্দেশনা অনুযায়ী চর্মচোখে চাঁদ দেখে ইবাদতের সময় নির্ধারণ করাই মূলনীতি। তিনি সূরা বাকারার আয়াত ও বুখারি শরিফের হাদিস উদ্ধৃত করে বলেন, চাঁদ দেখার ওপরই রোজা শুরু ও সমাপ্তি নির্ভর করে। যদি মেঘের কারণে চাঁদ দেখা না যায়, তবে মাস ৩০ দিন পূর্ণ করার বিধান রয়েছে।
বক্তারা আরও বলেন, নবীজির যুগেও জ্যোতির্বিজ্ঞানের চর্চা ছিল, কিন্তু তিনি সবসময় চাঁদ দেখার ওপরই গুরুত্ব দিয়েছেন। তাই আধুনিক ক্যালেন্ডার অনুসরণ করে চাঁদ দেখার প্রয়োজনীয়তা অস্বীকার করা সুন্নাহ পরিপন্থী। সভায় মাওলানা শফিকুল ইসলামসহ অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন এবং সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ দেন।
রিপোর্টারের নাম 

























