ঢাকা ১০:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

ঈদযাত্রায় গাজীপুরে ২১ কিমি যানজট, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের চাপ এবং যানবাহনের তীব্রতার কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে প্রায় ২১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে হাজার হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

বুধবার বিকেল থেকে গাজীপুরের শিল্প কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই ছুটি পেয়েই কর্মজীবীরা নাড়ির টানে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। বিকেল সোয়া ৪টার দিকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে চন্দ্রা বাস টার্মিনাল এলাকায় দেখা গেছে হাজার হাজার যাত্রীর ভিড়। উত্তরাঞ্চলের ২৬টি জেলার যাত্রীর চাপের কারণে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়েছে। চন্দ্রা, খাড়াজোড়া থেকে কোনাবাড়ী উড়ালসড়ক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এবং চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে প্রায় ৬ কিলোমিটার যানজট লেগে আছে। যানবাহনগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় আটকে আছে।

বাস যাত্রী আমান মিয়া বলেন, ‘কেউ ঠিকমতো কাজ করছে না। এভাবে চলতে থাকলে যানজট আরও বাড়বে।’ আরেক যাত্রী আল আমিন জানান, ‘অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গাড়িতে উঠেছি। তবুও যানজট বাড়ছে। ছয় ঘণ্টার সড়ক পার হতে হয়তো ১২ ঘণ্টা লাগবে।’

হাইওয়ে পুলিশের সদস্যদের সাথে কথা বললে তারা জানান, যানজট নিরসনের দায়িত্ব অন্য পুলিশের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী যাত্রী অভিযোগ করেন, ‘বৃষ্টিতে ভিজে গাড়ির অপেক্ষায় আছি। যানজটের কারণে গাড়ি আসছে না, অথচ ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে পরিবহন মালিকরা। এখানে প্রশাসনের কাউকে দেখতে পাচ্ছি না।’ চন্দ্রা পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পাশে এবং কয়েকটি পয়েন্টে দিনভর পুলিশ থাকলেও যানজট নিয়ন্ত্রণে তাদের কার্যকর ভূমিকা দেখা যায়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুরের গঙ্গাচড়ায় একদিনে স্কুলছাত্রীসহ তিনজনের আত্মহত্যা

ঈদযাত্রায় গাজীপুরে ২১ কিমি যানজট, ভোগান্তিতে হাজারো মানুষ

আপডেট সময় : ১১:১৯:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬

ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখো মানুষের চাপ এবং যানবাহনের তীব্রতার কারণে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে প্রায় ২১ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে ভয়াবহ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে হাজার হাজার যাত্রী চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।

বুধবার বিকেল থেকে গাজীপুরের শিল্প কারখানাগুলোতে ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে। এই ছুটি পেয়েই কর্মজীবীরা নাড়ির টানে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন। বিকেল সোয়া ৪টার দিকে বৃষ্টি উপেক্ষা করে চন্দ্রা বাস টার্মিনাল এলাকায় দেখা গেছে হাজার হাজার যাত্রীর ভিড়। উত্তরাঞ্চলের ২৬টি জেলার যাত্রীর চাপের কারণে যানবাহনের চাপ কয়েকগুণ বেড়েছে। চন্দ্রা, খাড়াজোড়া থেকে কোনাবাড়ী উড়ালসড়ক পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার এবং চন্দ্রা-নবীনগর সড়কে প্রায় ৬ কিলোমিটার যানজট লেগে আছে। যানবাহনগুলো ঘণ্টার পর ঘণ্টা রাস্তায় আটকে আছে।

বাস যাত্রী আমান মিয়া বলেন, ‘কেউ ঠিকমতো কাজ করছে না। এভাবে চলতে থাকলে যানজট আরও বাড়বে।’ আরেক যাত্রী আল আমিন জানান, ‘অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে গাড়িতে উঠেছি। তবুও যানজট বাড়ছে। ছয় ঘণ্টার সড়ক পার হতে হয়তো ১২ ঘণ্টা লাগবে।’

হাইওয়ে পুলিশের সদস্যদের সাথে কথা বললে তারা জানান, যানজট নিরসনের দায়িত্ব অন্য পুলিশের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী যাত্রী অভিযোগ করেন, ‘বৃষ্টিতে ভিজে গাড়ির অপেক্ষায় আছি। যানজটের কারণে গাড়ি আসছে না, অথচ ভাড়া বাড়িয়ে দিয়েছে পরিবহন মালিকরা। এখানে প্রশাসনের কাউকে দেখতে পাচ্ছি না।’ চন্দ্রা পুলিশ কন্ট্রোল রুমের পাশে এবং কয়েকটি পয়েন্টে দিনভর পুলিশ থাকলেও যানজট নিয়ন্ত্রণে তাদের কার্যকর ভূমিকা দেখা যায়নি।