ঢাকা ০৭:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

প্রবেশপত্রে ভুলের কারণে ফুলছড়ির ১৫০ এসএসসি পরীক্ষার্থী অনিশ্চয়তায়

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া এম এ ইউ একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৫০ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে গুরুতর ভুল ধরা পড়েছে, যা তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এই ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে তারা দেখতে পান যে কারো মায়ের বা বাবার নাম ভুল রয়েছে, ছেলে শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে মেয়ে শিক্ষার্থীর ছবি দেওয়া হয়েছে, আবার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে মানবিক বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি কিছু শিক্ষার্থী এখনো প্রবেশপত্রই পায়নি।

ওই বিদ্যালয়ের মোট ২১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ১৫০ জনের প্রবেশপত্রে এই ধরনের ত্রুটি পাওয়া গেছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক রায়হান সরকার বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্পৃক্ত না করে স্কুলের বাইরে একটি কম্পিউটার দোকান থেকে এই কাজ করিয়েছেন, যার ফলে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মনিরুল হাসান বলেছেন, এটি সরাসরি তাদের আওতাধীন কাজ না হলেও, তিনি খোঁজ নিয়ে জেনেছেন যে এটি বোর্ডের সার্ভারের ত্রুটি হতে পারে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণে কোনো সমস্যা হবে না।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আশ্বাসের পরও দেশে মবের ঘটনা অব্যাহত: সংসদে স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা

প্রবেশপত্রে ভুলের কারণে ফুলছড়ির ১৫০ এসএসসি পরীক্ষার্থী অনিশ্চয়তায়

আপডেট সময় : ০৫:২৮:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার কঞ্চিপাড়া এম এ ইউ একাডেমি উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৫০ জন এসএসসি পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে গুরুতর ভুল ধরা পড়েছে, যা তাদের পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। এই ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা চরম উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায় রয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা জানান, সোমবার প্রবেশপত্র সংগ্রহ করতে গিয়ে তারা দেখতে পান যে কারো মায়ের বা বাবার নাম ভুল রয়েছে, ছেলে শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে মেয়ে শিক্ষার্থীর ছবি দেওয়া হয়েছে, আবার বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে মানবিক বিভাগ উল্লেখ করা হয়েছে। এমনকি কিছু শিক্ষার্থী এখনো প্রবেশপত্রই পায়নি।

ওই বিদ্যালয়ের মোট ২১২ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে প্রায় ১৫০ জনের প্রবেশপত্রে এই ধরনের ত্রুটি পাওয়া গেছে।

অভিভাবকদের অভিযোগ, প্রধান শিক্ষক রায়হান সরকার বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সম্পৃক্ত না করে স্কুলের বাইরে একটি কম্পিউটার দোকান থেকে এই কাজ করিয়েছেন, যার ফলে এই সমস্যা সৃষ্টি হয়েছে।

এ বিষয়ে ফুলছড়ি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সৈয়দ মনিরুল হাসান বলেছেন, এটি সরাসরি তাদের আওতাধীন কাজ না হলেও, তিনি খোঁজ নিয়ে জেনেছেন যে এটি বোর্ডের সার্ভারের ত্রুটি হতে পারে। তিনি আশ্বাস দিয়েছেন যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণে কোনো সমস্যা হবে না।