রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মাত্র দেড় বছরের ব্যবধানে দেশের আটটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যানের পদ পরিবর্তনে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় উঠেছে। বিরোধী দলসহ বিভিন্ন মহলের অভিযোগ, দলীয়করণকে প্রাধান্য দিয়ে এবং কোনো সুনির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই বর্তমান উপাচার্যদের সরিয়ে নতুন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এমনকি প্রজ্ঞাপন জারির আগেই গণমাধ্যমে নিয়োগের বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়া নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
সম্প্রতি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে সাতটি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য নিয়োগের কথা ঘোষণা করেন। তবে পরদিনই এই সংখ্যা বেড়ে আটটিতে দাঁড়ায়। একইসাথে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বর্তমান উপাচার্যদের অব্যাহতিও দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন উপাচার্য নিয়োগের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের গবেষণা, প্রকাশনা, সাইটেশন, একাডেমিক যোগ্যতা, পিএইচডি, পোস্ট-ডক এবং সামগ্রিক একাডেমিক পারফরম্যান্সকে বিবেচনা করা হয়েছে।
নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত উপাচার্যদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন অধ্যাপক ছিদ্দিকুর রহমান খান। এছাড়া, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রো-ভিসি অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলামকে ঢাকা সেন্ট্রাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 
























