রমজান মাসের বিদায় ঘণ্টা বাজলেও মুমিনের ইবাদত ও আমলের ধারা নিরবচ্ছিন্ন। পবিত্র কোরআনের ঘোষণা অনুযায়ী, মৃত্যু অবধি মহান আল্লাহর দাসত্ব বজায় রাখা প্রত্যেক মুসলিমের নৈতিক দায়িত্ব। সিয়াম ও কিয়ামের মাস শেষ হওয়া মানে আমল বন্ধ হওয়া নয়; বরং রমজানের সেই প্রশিক্ষণকে পাথেয় করে সারা বছর নেক কাজে অবিচল থাকাই প্রকৃত সার্থকতা।
রমজানের ফরয রোজার পর সওয়াবের ধারাবাহিকতা রক্ষায় শাওয়াল মাসের ছয়টি রোজা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। রাসুলুল্লাহ (সা.) এর ভাষ্যমতে, রমজানের পর শাওয়ালের এই ছয়টি রোজা রাখলে সারা বছর রোজা রাখার সমতুল্য সওয়াব পাওয়া যায়। এছাড়া প্রতি চান্দ্র মাসের মধ্যভাগে তিনটি রোজা (আইয়ামে বিজ) এবং প্রতি সপ্তাহের সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোজা রাখার সুন্নত পালনের মাধ্যমে একজন মুমিন বছরজুড়েই রোজার সওয়াব হাসিল করতে পারেন।
ইবাদতের অন্যতম অনুষঙ্গ হলো রাতের নফল নামাজ বা তাহাজ্জুদ। রমজানে তারাবির যে অভ্যাস গড়ে ওঠে, তা সারা বছর তাহাজ্জুদের মাধ্যমে জারি রাখা সম্ভব। শেষ রাতে মহান আল্লাহ প্রথম আসমানে নেমে এসে বান্দার দোয়া কবুল করেন এবং ক্ষমা প্রার্থনা কারীদের ক্ষমা করে দেন। ফরয নামাজের পর তাহাজ্জুদই হলো শ্রেষ্ঠ সালাত। এছাড়া দৈনিক ১২ রাকাত সুন্নতে মুয়াক্কাদা নামাজ আদায়ের মাধ্যমে জান্নাতে ঘর নির্মাণের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে। ফরয ইবাদত শেষে জিকির ও তাসবিহ পাঠের মাধ্যমে আল্লাহর স্মরণ বজায় রাখা মুমিনের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হওয়া উচিত।
রিপোর্টারের নাম 

























