ঢাকা ১০:৫৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

সরিষাবাড়ীতে ভিজিএফ চাল বিতরণে গুরুতর অনিয়ম: শিশুর টিপসই ও ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদে ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং (ভিজিএফ) কর্মসূচির চাল বিতরণে গুরুতর অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের টিপসই নিয়ে চাল বিতরণ করা হয়েছে। রোববার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আব্দুল লতিফ এবং ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের উপস্থিতিতেই এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী, ভিজিএফ কার্ডধারী ব্যক্তি অথবা তার পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক কোনো সদস্য ছাড়া অন্য কারো চাল গ্রহণের সুযোগ নেই। অথচ ডোয়াইল ইউনিয়নে অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যা শিশুদের টিপসই নিয়ে চাল সংগ্রহ করা হয়েছে, যা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, চাল ব্যবসায়ীরা প্রতিটি কার্ডের জন্য ২০ টাকা মজুরিতে শিশু-কিশোরদের ব্যবহার করে চাল উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও, ডিজিটাল মিটার ব্যবহার না করে বালতি দিয়ে চাল পরিমাপ করায় ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

ডোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদে মোট ৫ হাজার ৬৩৪টি ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ ছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ইউপি সদস্য অভিযোগ করে জানান, কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়ায় তাদের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্যানেল চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন বলেন, ‘শিশুরা চাল উত্তোলন করতে পারবে কি না, তা আমার জানা নেই। হয়তো অভিভাবকরা আসতে না পারায় শিশুদের পাঠিয়েছেন। আমি এটাকে দোষের কিছু মনে করছি না।’ তার এই মন্তব্যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ড্রোন হামলার পর মধ্যপ্রাচ্যের কৌশলগত ফুজাইরা বন্দরে তেল কার্যক্রম স্বাভাবিক, বিশ্ববাজারে স্বস্তি

সরিষাবাড়ীতে ভিজিএফ চাল বিতরণে গুরুতর অনিয়ম: শিশুর টিপসই ও ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৯:১০:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদে ভালনারেবল গ্রুপ ফিডিং (ভিজিএফ) কর্মসূচির চাল বিতরণে গুরুতর অনিয়মের ঘটনা ঘটেছে। সরকারি নিয়ম লঙ্ঘন করে অপ্রাপ্তবয়স্ক শিশুদের টিপসই নিয়ে চাল বিতরণ করা হয়েছে। রোববার দুপুরে ইউনিয়ন পরিষদের সচিব আব্দুল লতিফ এবং ট্যাগ অফিসার হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের উপস্থিতিতেই এই ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরকারি বিধিমালা অনুযায়ী, ভিজিএফ কার্ডধারী ব্যক্তি অথবা তার পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক কোনো সদস্য ছাড়া অন্য কারো চাল গ্রহণের সুযোগ নেই। অথচ ডোয়াইল ইউনিয়নে অপ্রাপ্তবয়স্ক কন্যা শিশুদের টিপসই নিয়ে চাল সংগ্রহ করা হয়েছে, যা নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে যে, চাল ব্যবসায়ীরা প্রতিটি কার্ডের জন্য ২০ টাকা মজুরিতে শিশু-কিশোরদের ব্যবহার করে চাল উত্তোলন করে নিয়ে যাচ্ছে। এছাড়াও, ডিজিটাল মিটার ব্যবহার না করে বালতি দিয়ে চাল পরিমাপ করায় ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগও উঠেছে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিয়েছে।

ডোয়াইল ইউনিয়ন পরিষদে মোট ৫ হাজার ৬৩৪টি ভিজিএফ কার্ড বরাদ্দ ছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন ইউপি সদস্য অভিযোগ করে জানান, কার্ড বিতরণের প্রক্রিয়ায় তাদের কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। এ বিষয়ে জানতে চাইলে প্যানেল চেয়ারম্যান আফজাল হোসেন বলেন, ‘শিশুরা চাল উত্তোলন করতে পারবে কি না, তা আমার জানা নেই। হয়তো অভিভাবকরা আসতে না পারায় শিশুদের পাঠিয়েছেন। আমি এটাকে দোষের কিছু মনে করছি না।’ তার এই মন্তব্যে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।