ঢাকা ১২:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

সেনাপ্রধানের হাতে সাভারে অত্যাধুনিক পুনর্বাসন কেন্দ্র ও কুমিল্লায় আর্মি মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাসের উদ্বোধন

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সম্প্রতি ঢাকার সাভার এবং কুমিল্লায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করেছেন। এর মাধ্যমে দেশের সামরিক চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।

রোববার সাভারে আর্মি ইনস্টিটিউট অব ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সেনাপ্রধান। ২০০ শয্যাবিশিষ্ট এই প্রতিষ্ঠানে স্নায়ুরোগ ও পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তি, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু, আভিযানিক দায়িত্বে ও বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের জন্য প্রচলিত ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপির পাশাপাশি আধুনিক রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন চিকিৎসা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এটি সামরিক ও বেসামরিক উভয় জনগোষ্ঠীর জন্য অত্যাধুনিক পুনর্বাসন সুবিধা নিশ্চিত করবে।

একই দিনে কুমিল্লা সেনানিবাসের পাশে আর্মি মেডিকেল কলেজের নবনির্মিত স্থায়ী ক্যাম্পাসের উদ্বোধন এবং ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সেনাপ্রধান। এই উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সামরিক চিকিৎসা শিক্ষায় কুমিল্লা অঞ্চলের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেলো।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি কুমিল্লা সেনানিবাসের নিজস্ব জায়গায় এরিয়া সদর দপ্তর, কুমিল্লা প্রদত্ত ৫ একর জমির ওপর আর্মি মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল। বর্তমানে ৭.০৭ একর জমির ওপর নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত এই স্থায়ী ক্যাম্পাসের যাত্রা শুরু হলো।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত এই কলেজ থেকে ৬টি ব্যাচ থেকে মোট ২৮৩ জন শিক্ষার্থী চিকিৎসক হিসেবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। বর্তমানে এখানে ২৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছেন, যারা ভবিষ্যতে দেশের স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল, ডাইরেক্টর জেনারেল অব মেডিকেল সার্ভিসেস, ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ, অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৯ পদাতিক ডিভিশন, এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৩৩ পদাতিক ডিভিশন, এরিয়া কমান্ডার, কুমিল্লা এরিয়া, সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত ব্যক্তি এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনা নয়: যুদ্ধবিরতি বা সমঝোতার প্রস্তাব দেয়নি ইরান

সেনাপ্রধানের হাতে সাভারে অত্যাধুনিক পুনর্বাসন কেন্দ্র ও কুমিল্লায় আর্মি মেডিকেল কলেজের স্থায়ী ক্যাম্পাসের উদ্বোধন

আপডেট সময় : ১০:৩১:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান সম্প্রতি ঢাকার সাভার এবং কুমিল্লায় দুটি গুরুত্বপূর্ণ সামরিক প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করেছেন। এর মাধ্যমে দেশের সামরিক চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সেবায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হলো।

রোববার সাভারে আর্মি ইনস্টিটিউট অব ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সেনাপ্রধান। ২০০ শয্যাবিশিষ্ট এই প্রতিষ্ঠানে স্নায়ুরোগ ও পক্ষাঘাতগ্রস্ত ব্যক্তি, বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিশু, আভিযানিক দায়িত্বে ও বিভিন্ন দুর্ঘটনায় আহত ব্যক্তিদের জন্য প্রচলিত ফিজিওথেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, স্পিচ ও ল্যাঙ্গুয়েজ থেরাপির পাশাপাশি আধুনিক রোবোটিক রিহ্যাবিলিটেশন চিকিৎসা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এটি সামরিক ও বেসামরিক উভয় জনগোষ্ঠীর জন্য অত্যাধুনিক পুনর্বাসন সুবিধা নিশ্চিত করবে।

একই দিনে কুমিল্লা সেনানিবাসের পাশে আর্মি মেডিকেল কলেজের নবনির্মিত স্থায়ী ক্যাম্পাসের উদ্বোধন এবং ৫০০ শয্যাবিশিষ্ট আর্মি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন সেনাপ্রধান। এই উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে সামরিক চিকিৎসা শিক্ষায় কুমিল্লা অঞ্চলের সক্ষমতা আরও বৃদ্ধি পেলো।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১১ জানুয়ারি কুমিল্লা সেনানিবাসের নিজস্ব জায়গায় এরিয়া সদর দপ্তর, কুমিল্লা প্রদত্ত ৫ একর জমির ওপর আর্মি মেডিকেল কলেজের একাডেমিক কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছিল। বর্তমানে ৭.০৭ একর জমির ওপর নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত এই স্থায়ী ক্যাম্পাসের যাত্রা শুরু হলো।

প্রতিষ্ঠার পর থেকে এখন পর্যন্ত এই কলেজ থেকে ৬টি ব্যাচ থেকে মোট ২৮৩ জন শিক্ষার্থী চিকিৎসক হিসেবে উত্তীর্ণ হয়েছেন। বর্তমানে এখানে ২৫০ জন শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত রয়েছেন, যারা ভবিষ্যতে দেশের স্বাস্থ্যসেবায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবেন।

অনুষ্ঠানে সেনাবাহিনীর কোয়ার্টার মাস্টার জেনারেল, ডাইরেক্টর জেনারেল অব মেডিকেল সার্ভিসেস, ইঞ্জিনিয়ার ইন চিফ, অ্যাডজুটেন্ট জেনারেল, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৯ পদাতিক ডিভিশন, এরিয়া কমান্ডার, সাভার এরিয়া, জেনারেল অফিসার কমান্ডিং, ৩৩ পদাতিক ডিভিশন, এরিয়া কমান্ডার, কুমিল্লা এরিয়া, সেনাসদর ও সংশ্লিষ্ট এরিয়ার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে কর্মরত ব্যক্তি এবং শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।