ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

ফরিদগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে তারাবির নামাজ পড়তে ঘর থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৫ ঘণ্টা পর বাঁশঝাড় থেকে ৮ বছর বয়সী এক শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের শোশাইরচর গ্রামের মাইজের বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়ের নিচে শিশু রুবেলের মরদেহটি পড়ে ছিল।

নিহত শিশু মো. রুবেল হোসেন মাইজের বাড়ির দিনমজুর আব্দুল কাদেরের ছোট ছেলে। সে স্থানীয় সানকিসাইর মাদ্রাসার নূরানি বিভাগের ছাত্র ছিল। পরিবারের সদস্যরা জানান, মঙ্গলবার ইফতারের পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রুবেল তারাবি নামাজ পড়তে ঘর থেকে বের হয়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

রাত ১০টার দিকে স্বজনরা রুবেলকে আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে শুরু করেন। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তার সন্ধান না পেয়ে একপর্যায়ে এলাকাজুড়ে মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়। এরপর রাত পৌনে ১২টার দিকে বাড়ির পশ্চিম পাশের একটি বাঁশঝাড়ে টর্চলাইটের আলো ফেললে পাশের বাড়ির কালু নামের এক ব্যক্তি রুবেলের রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং শিশুটির মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি- তদন্ত) এমদাদুল হক ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) বোরহান উদ্দিন ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। প্রাথমিক সুরতহালে শিশুটির গলায় ফাঁসের দাগ এবং নাক-মুখে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শিশুটি হত্যার শিকার হয়ে থাকলে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইসলামী ব্যাংকের রেমিট্যান্স উৎসবে মোটরসাইকেল উপহার পেলেন ঢাকার গ্রাহক

ফরিদগঞ্জে নিখোঁজ শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার, হত্যার সন্দেহ

আপডেট সময় : ০৮:৪৩:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে তারাবির নামাজ পড়তে ঘর থেকে বেরিয়ে নিখোঁজ হওয়ার প্রায় ৫ ঘণ্টা পর বাঁশঝাড় থেকে ৮ বছর বয়সী এক শিশুর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) রাতে ফরিদগঞ্জ উপজেলার বালিথুবা পূর্ব ইউনিয়নের শোশাইরচর গ্রামের মাইজের বাড়ির পাশের বাঁশঝাড়ের নিচে শিশু রুবেলের মরদেহটি পড়ে ছিল।

নিহত শিশু মো. রুবেল হোসেন মাইজের বাড়ির দিনমজুর আব্দুল কাদেরের ছোট ছেলে। সে স্থানীয় সানকিসাইর মাদ্রাসার নূরানি বিভাগের ছাত্র ছিল। পরিবারের সদস্যরা জানান, মঙ্গলবার ইফতারের পর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে রুবেল তারাবি নামাজ পড়তে ঘর থেকে বের হয়। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সে বাড়িতে ফিরে না আসায় পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন।

রাত ১০টার দিকে স্বজনরা রুবেলকে আশপাশের বিভিন্ন স্থানে খুঁজতে শুরু করেন। সম্ভাব্য সব জায়গায় খুঁজেও তার সন্ধান না পেয়ে একপর্যায়ে এলাকাজুড়ে মাইকিংয়ের ব্যবস্থা করা হয়। এরপর রাত পৌনে ১২টার দিকে বাড়ির পশ্চিম পাশের একটি বাঁশঝাড়ে টর্চলাইটের আলো ফেললে পাশের বাড়ির কালু নামের এক ব্যক্তি রুবেলের রক্তাক্ত নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখেন। তার চিৎকারে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং শিশুটির মৃত্যু নিশ্চিত করেন।

খবর পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি- তদন্ত) এমদাদুল হক ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) বোরহান উদ্দিন ঘটনাস্থলে পৌঁছান এবং মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন। প্রাথমিক সুরতহালে শিশুটির গলায় ফাঁসের দাগ এবং নাক-মুখে রক্তাক্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

ফরিদগঞ্জ থানার ওসি মো. হেলাল উদ্দিন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে থানা হেফাজতে নিয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও বলেন, শিশুটি হত্যার শিকার হয়ে থাকলে জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনায় আইনি ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।