ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি প্রকাশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শর্ত, জামায়াতের দাবি প্রত্যাখ্যান

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদায়নের প্রস্তাব দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে লেখা একটি চিঠি ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, এই চিঠি সম্পর্কে বিরোধীদলীয় নেতা অবগত নন। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, চিঠিতে বিরোধীদলীয় নেতার স্বাক্ষর রয়েছে এবং তার সম্মতি পেলে চিঠিটি জনসমক্ষে প্রকাশ করতে প্রস্তুত তারা।

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই অবস্থান জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২২ ফেব্রুয়ারি ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে লেখা একটি চিঠি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পাঠান। পরবর্তীতে তিনি একই চিঠি সরাসরি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও হস্তান্তর করেন।

চিঠিটি বিরোধীদলীয় নেতার জাতীয় সংসদের প্যাডে লেখা ছিল। এর মূল বিষয়বস্তু ছিল ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে ‘বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা বা মন্ত্রী পদমর্যাদায়’ নিয়োগের সুপারিশ। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, বিরোধীদলীয় নেতা তার স্বাক্ষরিত চিঠিতে ড. হাসানের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও বিচক্ষণতার প্রশংসা করেন এবং দেশের পররাষ্ট্রনীতিকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে তাকে উল্লিখিত পদে পদায়নের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট সুপারিশ করেন। তিনি বিষয়টিকে বিশেষভাবে বিবেচনার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান। চিঠির নিচে শুধুমাত্র বিরোধীদলীয় নেতার স্বাক্ষর রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিরোধীদলীয় নেতা লিখিতভাবে সম্মতি দিলে মন্ত্রণালয় চিঠিটির পূর্ণ পাঠ জনসমক্ষে প্রকাশ করতে প্রস্তুত। এদিকে, একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, জামায়াতের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করে জানানো হয় যে, উক্ত চিঠির বিষয়ে জামায়াত আমির অবগত ছিলেন না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো ফোনালাপ সংঘটিত হয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, একজনের মৃত্যু; ৮৬ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বিরোধীদলীয় নেতার চিঠি প্রকাশে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের শর্ত, জামায়াতের দাবি প্রত্যাখ্যান

আপডেট সময় : ০৯:৫৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান তার পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পদায়নের প্রস্তাব দিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে লেখা একটি চিঠি ঘিরে জটিলতা তৈরি হয়েছে। জামায়াতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে যে, এই চিঠি সম্পর্কে বিরোধীদলীয় নেতা অবগত নন। তবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, চিঠিতে বিরোধীদলীয় নেতার স্বাক্ষর রয়েছে এবং তার সম্মতি পেলে চিঠিটি জনসমক্ষে প্রকাশ করতে প্রস্তুত তারা।

বুধবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এই অবস্থান জানানো হয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২২ ফেব্রুয়ারি ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান সংসদের বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে বিরোধীদলীয় নেতার পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে লেখা একটি চিঠি ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পাঠান। পরবর্তীতে তিনি একই চিঠি সরাসরি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছেও হস্তান্তর করেন।

চিঠিটি বিরোধীদলীয় নেতার জাতীয় সংসদের প্যাডে লেখা ছিল। এর মূল বিষয়বস্তু ছিল ড. মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানকে ‘বিরোধীদলীয় নেতার পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপদেষ্টা বা মন্ত্রী পদমর্যাদায়’ নিয়োগের সুপারিশ। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, বিরোধীদলীয় নেতা তার স্বাক্ষরিত চিঠিতে ড. হাসানের দক্ষতা, পেশাদারিত্ব ও বিচক্ষণতার প্রশংসা করেন এবং দেশের পররাষ্ট্রনীতিকে সম্মিলিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে তাকে উল্লিখিত পদে পদায়নের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট সুপারিশ করেন। তিনি বিষয়টিকে বিশেষভাবে বিবেচনার জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি অনুরোধ জানান। চিঠির নিচে শুধুমাত্র বিরোধীদলীয় নেতার স্বাক্ষর রয়েছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বিরোধীদলীয় নেতা লিখিতভাবে সম্মতি দিলে মন্ত্রণালয় চিঠিটির পূর্ণ পাঠ জনসমক্ষে প্রকাশ করতে প্রস্তুত। এদিকে, একটি সংবাদপত্রে প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল যে, জামায়াতের পক্ষ থেকে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি ফোনে যোগাযোগ করে জানানো হয় যে, উক্ত চিঠির বিষয়ে জামায়াত আমির অবগত ছিলেন না। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, এ ধরনের কোনো ফোনালাপ সংঘটিত হয়নি।