জুলাই সংস্কার প্রস্তাবের খণ্ডিত বাস্তবায়ন নয়, বরং পুরো প্যাকেজটি কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি জোর দিয়ে বলেছেন, দেশের ৬৯ শতাংশ মানুষ গণভোটে এই সংস্কারের পক্ষে রায় দিয়েছে, যা অগ্রাহ্য করার কোনো সুযোগ নেই। তাঁর মতে, প্রস্তাবিত প্যাকেজ থেকে চব্বিশ বাদ দিয়ে ছাব্বিশের অস্তিত্ব কল্পনা করা যায় না।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় সংসদের এলডি হলে বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যদের বৈঠক শেষে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে বিরোধীদলীয় নেতার সভাকক্ষে জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সভাপতিত্বে ১১ দলীয় ঐক্যের সংসদ সদস্যদের এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো. তাহের, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ জোটের অন্য সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির জানান, ডেপুটি স্পিকারের বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে অনানুষ্ঠানিকভাবে যোগাযোগ করা হয়েছে, যার জন্য তিনি ধন্যবাদ জানান। তবে তিনি স্পষ্ট করে বলেন, তাদের মূল দাবি হলো জুলাই সংস্কার প্রস্তাবের সম্পূর্ণ বাস্তবায়ন। এই প্রস্তাবের আলোকেই বিরোধীদলের ন্যায্য পাওনাটুকু তারা চান, এর বেশি নয়। ওই প্রস্তাবনাতেই একজন ডেপুটি স্পিকার বিরোধীদল থেকে হওয়ার কথা উল্লেখ আছে। তাই তারা খণ্ডিতভাবে এই প্রস্তাবনা গ্রহণ করতে চান না, বরং প্যাকেজ আকারে এর পূর্ণ বাস্তবায়ন চান। এর ভিত্তিতেই তারা তাদের ন্যায্য দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেন।
আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তাদের ভূমিকা আগামীকাল (বৃহস্পতিবার) দেখা যাবে এবং জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণেই তা স্পষ্ট হবে। বৈঠকের উদ্দেশ্য তুলে ধরে ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, জাতির প্রত্যাশা পূরণে বিরোধীদল ও নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে দেশ ও জাতির জন্য তাদের ভূমিকা কী হবে, সে ব্যাপারে পরামর্শ গ্রহণের জন্যই তারা একত্রিত হয়েছিলেন। জোটের সব এমপি সেখানে উপস্থিত থেকে খোলামেলা আলোচনা ও মতামত বিনিময় করেছেন।
রিপোর্টারের নাম 
























