ঢাকা ০৫:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

জামালপুরে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা

জামালপুরে স্বামীকে গাছের সাথে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। তবে, এই মামলায় একজন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের পাকুল্যা মধ্যপাড়া গ্রামের মো. ফারুক হোসেন, মুনছুর আলী ও ফেরদৌস হোসেন। অন্যদিকে, একই এলাকার জাহিদুল ইসলামকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দিয়েছেন আদালত।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই রাতে ওই গৃহবধূ তার ব্রয়লার মুরগী ব্যবসায়ী স্বামীর সাথে একটি ব্যবসায়িক কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। সদর উপজেলার পাকুল্লা এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা তাদের পথরোধ করে নানা আপত্তিকর কথা বলতে শুরু করে। স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেওয়ার পরও তারা বিশ্বাস না করে স্বামীকে গাছের সাথে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।

পিপি ফজলুল হক আরও জানান, এই ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে জামালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এবং আসামিদের অনুপস্থিতিতে আদালত এই রায় প্রদান করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে স্পিকার-ডেপুটি স্পিকার প্রার্থী চূড়ান্তের ক্ষমতা

জামালপুরে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড, ১ লাখ টাকা জরিমানা

আপডেট সময় : ০৪:১০:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

জামালপুরে স্বামীকে গাছের সাথে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সাথে প্রত্যেক আসামিকে এক লাখ টাকা করে অর্থদণ্ডও করা হয়েছে। তবে, এই মামলায় একজন আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।

আজ বুধবার দুপুরে জামালপুর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক মুহাম্মদ আব্দুর রহিম এই চাঞ্চল্যকর রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- জামালপুর সদর উপজেলার রশিদপুর ইউনিয়নের পাকুল্যা মধ্যপাড়া গ্রামের মো. ফারুক হোসেন, মুনছুর আলী ও ফেরদৌস হোসেন। অন্যদিকে, একই এলাকার জাহিদুল ইসলামকে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় খালাস দিয়েছেন আদালত।

মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট ফজলুল হক জানান, ২০২৩ সালের ১৯ জুলাই রাতে ওই গৃহবধূ তার ব্রয়লার মুরগী ব্যবসায়ী স্বামীর সাথে একটি ব্যবসায়িক কাজ সেরে বাড়ি ফিরছিলেন। সদর উপজেলার পাকুল্লা এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা তাদের পথরোধ করে নানা আপত্তিকর কথা বলতে শুরু করে। স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দেওয়ার পরও তারা বিশ্বাস না করে স্বামীকে গাছের সাথে বেঁধে স্ত্রীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ করে।

পিপি ফজলুল হক আরও জানান, এই ঘটনার পরদিন ভুক্তভোগী গৃহবধূ বাদী হয়ে জামালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন। চারজন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে এবং আসামিদের অনুপস্থিতিতে আদালত এই রায় প্রদান করেন।